
উত্তর-রাখাইন রাজ্যে সরকার-নিয়ন্ত্রিত সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন একজন রোহিঙ্গা মুসলিম। মিয়ানমার পুলিশের বরাত দিয়ে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম স্ট্রেইট টাইমস এই খবর জানিয়েছে
উল্লেখ্য, এ বছর অক্টোবর মাসের ৯ তারিখে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ এলাকায় সন্ত্রাসীদের সমন্বিত হামলায় ৯ পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার পর তার দায় চাপানো হয় রোহিঙ্গাদের ওপর। আর তখন থেকেই শুরু হয় সেনাবাহিনীর দমন প্রক্রিয়া। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের দাবি, এরপর থেকেই রাখাইন রাজ্যে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। রোহিঙ্গা মুসলমানদের ইসলামি চরমপন্থা দমনে কাজ করছেন বলে দাবি করছেন তারা। আর তা এমন কঠোর প্রক্রিয়ায় চালানো হচ্ছে যে সেখানে সংবাদমাধ্যমকেও প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। স্ট্রেইট টাইমস-এর খবরে বলা হয়েছে, অশান্ত রাখাইন রাজ্যে সরকার-নিয়ন্ত্রিত এক মিডিয়া টুরের সময় সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ওই রোহিঙ্গা মুসলিম।
পুলিশ সূত্রের দাবি, ওই ব্যক্তির বয়স ৪১। নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। বুধবার তিনি রাখাইন রাজ্যের এক গ্রামে সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। তবে ওই মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তারা।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ বলছে, জঙ্গি তৎপরতার মধ্য দিয়ে সীমান্ত অঞ্চলে বেশ কিছু রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করা হয়েছে, যারা সরকারকে তথ্য সরবরাহ করত বলে ধারণা করা হয়।
গত শুক্রবারে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তার নাম বলা হয় সু নার মায়ার। ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমনপীড়ন হয়েছে, এমন কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সু নার মায়ের ফাঁস করে দিয়েছিল যে রাখাইন রাজ্যে পুলিশ আর সেনাবাহিনী কোনও আগুন দেয়নি। কোনও ধর্ষণ কিংবা অনৈতিক গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটেনি সেখানে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিয়ানমারের দুই সাংবাদিক বলেছেন, বুধবার তারা ওই ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে তার নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পারেন তারা।
রাখাইন রাজ্যে মিডিয়ার প্রবেশাধিকার রুদ্ধ করে রাখার ঘটনা নিয়ে প্রবল আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে ওই মিডিয়া ট্যুর সম্পন্ন হয় সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে।
জাতিসংঘের মতে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের রাখাইন রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৮৬ জন। এখন পর্যন্ত ঘরহারা হয়েছেন ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ। পালাতে গিয়েও গুলি খেয়ে মরতে হচ্ছে তাদের। মিয়ানমারে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাস করে। কিন্তু, সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা তাদেরকে দেশটির নাগরিক হিসেবে স্বীকার তো করেই না বরং এসব রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে দাবি করে থাকে। রাখাইন রাজ্যে এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টির পরেও চলমান দমন প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে দায় এড়াতে চাইছে দেশটির সরকার। রোহিঙ্গারা নিজেরাই নিজেদের বাড়িঘর পোড়াচ্ছে বলেও দাবি করছে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিশ্চিত করেই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবেই চেনে। জাতিসংঘের অবস্থানও আলাদা নয়।
উল্লেখ্য, এ বছর অক্টোবর মাসের ৯ তারিখে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ এলাকায় সন্ত্রাসীদের সমন্বিত হামলায় ৯ পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার পর তার দায় চাপানো হয় রোহিঙ্গাদের ওপর। আর তখন থেকেই শুরু হয় সেনাবাহিনীর দমন প্রক্রিয়া। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের দাবি, এরপর থেকেই রাখাইন রাজ্যে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। রোহিঙ্গা মুসলমানদের ইসলামি চরমপন্থা দমনে কাজ করছেন বলে দাবি করছেন তারা। আর তা এমন কঠোর প্রক্রিয়ায় চালানো হচ্ছে যে সেখানে সংবাদমাধ্যমকেও প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। স্ট্রেইট টাইমস-এর খবরে বলা হয়েছে, অশান্ত রাখাইন রাজ্যে সরকার-নিয়ন্ত্রিত এক মিডিয়া টুরের সময় সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ওই রোহিঙ্গা মুসলিম।
পুলিশ সূত্রের দাবি, ওই ব্যক্তির বয়স ৪১। নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। বুধবার তিনি রাখাইন রাজ্যের এক গ্রামে সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। তবে ওই মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তারা।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ বলছে, জঙ্গি তৎপরতার মধ্য দিয়ে সীমান্ত অঞ্চলে বেশ কিছু রোহিঙ্গা মুসলিমকে হত্যা করা হয়েছে, যারা সরকারকে তথ্য সরবরাহ করত বলে ধারণা করা হয়।
গত শুক্রবারে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। তার নাম বলা হয় সু নার মায়ার। ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমনপীড়ন হয়েছে, এমন কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সু নার মায়ের ফাঁস করে দিয়েছিল যে রাখাইন রাজ্যে পুলিশ আর সেনাবাহিনী কোনও আগুন দেয়নি। কোনও ধর্ষণ কিংবা অনৈতিক গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটেনি সেখানে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিয়ানমারের দুই সাংবাদিক বলেছেন, বুধবার তারা ওই ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে তার নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পারেন তারা।
রাখাইন রাজ্যে মিডিয়ার প্রবেশাধিকার রুদ্ধ করে রাখার ঘটনা নিয়ে প্রবল আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে ওই মিডিয়া ট্যুর সম্পন্ন হয় সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে।
জাতিসংঘের মতে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের রাখাইন রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৮৬ জন। এখন পর্যন্ত ঘরহারা হয়েছেন ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ। পালাতে গিয়েও গুলি খেয়ে মরতে হচ্ছে তাদের। মিয়ানমারে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাস করে। কিন্তু, সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা তাদেরকে দেশটির নাগরিক হিসেবে স্বীকার তো করেই না বরং এসব রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে দাবি করে থাকে। রাখাইন রাজ্যে এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টির পরেও চলমান দমন প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি অস্বীকার করে দায় এড়াতে চাইছে দেশটির সরকার। রোহিঙ্গারা নিজেরাই নিজেদের বাড়িঘর পোড়াচ্ছে বলেও দাবি করছে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিশ্চিত করেই রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবেই চেনে। জাতিসংঘের অবস্থানও আলাদা নয়।




























