বিশেষ প্রতিনিধি :
নোয়াখালীতে কলেজছাত্রী তাবাসসুম তানিয়া চমকের হত্যাকারী তাপস চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় মাইজদি বাজারের মাস্টারপাড়ার খালার বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় সহপাঠী চমককে অপহরণের পর গণধর্ষণ করে হত্যা করা হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে তাপস।
তাপস কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভূঁইয়ারহাট বাজারের সেলুন ব্যবসায়ী বাবুচন্দ্র শীলের ছেলে। সে সোনাপুর ডিগ্রি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। থাকত মাইজদীর খালার বাসায়।
ঘটনার ৪দিন পর বৃহস্পতিবার দুপুরে মাইজদীর জয়কৃষ্ণপুরস্থ নিজ বাসার পেছনের ডোবা থেকে চমকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শুক্রবার সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পোস্টমর্টেম শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। চমক নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদী জয়কৃষ্ণপুরের চাকরিজীবী সৈয়দ শাহজাদা এনামুল হকের মেয়ে। একই কলেজে তাপসের সহপাঠী ছিল সে।
এ সুযোগে তারা এক সঙ্গে কলেজে যাওয়া-আসা করত। পথে তাপস অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখ্যান করে চমক। এতে ক্ষুব্ধ তাপস রোববার রাত ৯টায় মোবাইলে ফোন করে চমককে কোর্ট স্টেশনে ডেকে আনে। এরপর সশস্ত্র ৪ যুবকের সহায়তায় তাকে নিকটবর্তী নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে গণধর্ষণ, বেধড়ক মারধর ও গলায় ওড়না পেঁছিয়ে ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে লাশ বস্তায় ভরে তার বাড়ির পেছনের ডোবায় ফেলে দেয়া হয়।