লাইফস্টাইল ডেস্ক :
কনুই আর হাঁটু -শরীরের সবথেকে অবহেলিত দুটি অংশ। যত্ন না পেতে পেতে কালো ছোপ পড়ে যায়। রুক্ষ,শুষ্ক হয়ে যায়। একে বলে পিগমেনটেশন। সাবান বা স্ক্রাবার দিয়ে পিগমেনটেশন দূর করা যায় না। প্রয়োজন নিয়মিত পরিচর্যা। খুব সামান্য কেয়ারই বদলে দিতে পারে এদের চেহারা। ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে যত্ন নেবেন কনুই-হাঁটুর, কীভাবে দূর হবে পিগমেনটেশন, তা জেনে নিন-
*লেবুতে আছে একরকম অ্যাসিড। যা ব্লিচ করার ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী। যে কোনও দাগ দূর করতে লেবু ব্যবহার করা হয়। কালো হয়ে যাওয়া অংশে লেবুর রস লাগান। ১০ মিনিট রেখে দিন। এবার, হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অন্তত, দু’সপ্তাহ ধরে এভাবে লেবুর রস ব্যবহার করলে ফল পাবেন হাতেনাতে।
*দই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। কিন্তু, ত্বকে ফর্সাভাব আনতে বা দাগছোপ দূর করতেও টকদই ব্যবহার করা হয়। টক দইয়ে মিশিয়ে নিন এক চামচ ভিনিগার ও এক চামচ ময়দা। ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার, কালো হয়ে যাওয়া জায়গায় লাগান। ১৫ মিনিট রেখে গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
*দুধে বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন। পেস্টটি লাগিয়ে নিন কনুই ও হাঁটুতে। পাঁচ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে, দু’মাস ধরে সপ্তাহে একবার পেস্টটি ব্যবহার করলেই দূর হবে আপনার ত্বকের কালো দাগ।
*অ্যালোভেরা ত্বক নরম করে। একটি অ্যালোভেরার পাতা ভেঙে নিন। ভিতরে দেখবেন জেল জাতীয় একরকম পদার্থ রয়েছে। কনুই ও হাঁটুতে জেলটি লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।
*ত্বকের শুষ্কভাব দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন নারকেল তেল। তেলের সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে নিলে ফল আরও ভালো হবে। কনুই ও হাঁটুতে তেল লাগিয়ে ম্যাসাজ করে নিন। হালকা গরম জলে স্নান করুন। সাবান ব্যবহার করবেন না। গামছা বা তোয়ালে দিয়ে মুছে তেল তুলে ফেলুন।
*অলিভ অয়েল ও চিনি মিশিয়ে নিন। স্ক্রাবার হিসেবে খুব ভালো কাজ দেয় এই মিশ্রণটি। ত্বকের শুষ্ক কোশ দূর করতে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে দারুণ কাজ দেয় এটি। তাছাড়া, ত্বক নরম করতে সাহায্য করে অলিভ অয়েল।