বুধবার ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার

গরমে এসি ছাড়াই যেভাবে ঘর ঠাণ্ডা রাখবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক :

কয়েকদিনের তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। এসি বা এয়ার কন্ডিশনার যারা যেন ঘরের ভেতরে থাকাই যায় না। কিন্তু সবার বাড়িতে তো আর এসি নেই। আবার এসি থাকলেও লোডশেডিংয়ের কারণে এর শতভাগ সুবিধা পাওয়া নিয়ে মুশকিলে পড়তে হয়। তার ওপর মাস শেষে মোটা অঙ্কের বিদ্যুৎ বিলের চাপ তো আছেই। তবে আপনি চাইলে বিশেষ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে প্রাকৃতিক উপায়ে এসি ছাড়াই ঘর ঠাণ্ডা রাখতে পারেন।

এয়ার কন্ডিশনার ছাড়াই যেভাবে ঘরকে ঠাণ্ডা রাখবেন:-

– ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকেই ঘরের ভেতর গাছ রেখে থাকেন। অনেকেরই বারান্দায় ছোট বাগান করার শখ থাকে। ঘরের ভেতর জানালার কাছে বা বারান্দায় গাছ রাখলে তা বাইরের গরম তাপ শুষে নেয়। সম্ভব হলে বাড়ির বাইরের দিকেও গাছ লাগানো উচিত। এতে করে বাইরের যত গরম তাপ বাড়ির দেয়ালের বাইরে অংশেই রয়ে যায়। অন্যদিকে ঘরের ভেতরটা শীতল থাকে।

– দিনের বেলায় জানালা বন্ধ রেখে পর্দা টেনে দিতে হবে। এতে করে ঘরের মধ্যে সরাসরি সূর্যালোকের প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হবে। সেই সাথে ফ্যান চলতে থাকলে দিনের অস্বস্তিকর গরম কিছুটা হলেও কমে যাবে।

– গরমকাল আসার সাথে সাথেই ঘরের সাটিন ও পলিস্টারের বিছানার চাদর বদলে ফেলা উচিত। এর জায়গায় ব্যবহার করতে হবে সুতি বা লিনেনের কাপড়। এগুলো অবশ্যই হালকা রঙের হতে হবে। হালকা রঙের কাপড় তাপ প্রতিফলন করার মাধ্যমে ঘরের তাপমাত্রা সহনীয় রাখতে সাহায্য করে।

– ঘরে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করুন। এলইডি বাল্বগুলো টিউব লাইট থেকেও ঘরকে শীতল রাখতে বেশি কার্যকর। এছাড়া খুব প্রয়োজন না হলে ঘরের বাতি নিভিয়ে রাখাই উত্তম। অন্ধকার ঘর তাপ ছড়ায় না এবং বেশি সময় ধরে ঘরে ঠাণ্ডা থাকে।

– বাইরের খর তাপ থেকে ঘরকে বাঁচানোর জন্য জানালা বা বারান্দায় বাশের পর্দা লাগাতে পারেন। এই পর্দাগুলো মাঝ দুপুরেও ঘরকে অনেক ঠাণ্ডা রাখে।

– রান্নার সময় এক্সহস্ট ফ্যান চালু রাখতে পারেন। এক্সহস্ট ফ্যান ঘরের ভেতরের গরম হাওয়া বাইরে বের করে দেয়।

– মাঝ দুপুরে তাপ অনেকটা চড়ে গেলে ভেজা কাপড় দিয়ে সারা ঘরের মেঝে মুছে ফেলতে হবে। এরপর ফ্যান ছেড়ে দিলে ঘরের উষ্ণতা অনেকটা কমে যাবে। ঘরের মোছার পানিতে অল্প পরিমাণ লবণ গুলিয়ে নেওয়া ভালো। লবণ-পানি ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

– শীত-গ্রীষ্ম কোনো ঋতুতেই ঘর গোছানোর কোনো বিকল্প নেই। তবে গরমের দিনগুলোতে অপরিচ্ছন্নতা ঘরের উষ্ণতা আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই ঘর সবসময় গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করুন।

– টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে এক বালতি বরফ রাখতে পারেন। এক বালতি বরফ টুকরো টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে রেখে দিলে ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা বাতাস ঘরময় ছড়াতে শুরু করে। এসির মতোই এক্ষেত্রেও ঘরের দরজা-জানালা খোলা রাখা যাবে না।

– গরম আসার আগেই ভেন্টিলেটর পরিষ্কার করতে হবে। ভেন্টিলেটর ঘরকে ঠাণ্ডা রাখতে কাজে লাগে। যাদের বাসায় ভেন্টিলেটর আছে, তাদের অবশ্যই গরমকাল আসার আগে তা ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০