শনিবার ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

যেসব কারণে অজু করতে হয়

ইসলাম ডেস্ক :

অজু মোট তিন প্রকার। ফরজ, ওয়াজিব ও মুস্তাহাব। তবে অজু না থাকা ব্যক্তির জন্য চার অবস্থায় অজু ফরজ হয়। আবার কিছু সময়ে অজু করা ওয়াজিব ও মুস্তাহাব।

যখন অজু করা ফরজ
এক. নামাজ আদায়ের জন্য, যদি নফল নামাজও হয়। (বুখারি, হাদিস নং : ১৩২)

দুই. জানাজার জন্য। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি, হাদিস নং : ৪৩৫)

তিন. সিজদায়ে তিলাওয়াতের জন্য। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি, হাদিস নং : ৪৩৫)

চার. পবিত্র কোরআন স্পর্শ করার জন্য। অনুরূপভাবে অজু ছাড়া ব্যক্তি যদি পবিত্র কোরআনের আয়াত লেখা দেয়াল, কাগজ, টাকা—যেটাই ছুঁতে চাইবে, তার জন্য অজু করা ফরজ। (সুরা ওয়াকিয়া, আয়াত : ৭৯, মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ১/১১৩)

যখন অজু করা ওয়াজিব
শুধু একটি বিষয়ের জন্য অজু করা ওয়াজিব। তা হলো, কাবা ঘরের তাওয়াফ করা। (তিরমিজি, হাদিস নং : ৮৮৩)

অজু করা যখন মুস্তাহাব
* পবিত্রতার সঙ্গে ঘুমানোর জন্য। (বুখারি, হাদিস নং : ২৩৯)
* ঘুম থেকে জাগ্রত হলে। তখন শুধু মুস্তাহাবই নয়, বরং সুন্নাত (বায়হাকি, হাদিস নং : ৫৮৫)
* সব সময় অজু অবস্থায় থাকার জন্য। (ইবনে মাজাহ, হাদিস নং : ২৭৩)
* সাওয়াবের নিয়তে অজু থাকা অবস্থায় অজু করা।
* গিবত ও মিথ্যা কথার আশ্রয় নেওয়ার পর। (মুসলিম, হাদিস নং : ৩৬০)
* মন্দ ও অশ্লীল কবিতা পাঠের পর। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস নং : ১/১৩৫)
* নামাজ ছাড়া অন্য অবস্থায় অট্টহাসি দেওয়ার পর। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস নং : ৯৩০১)
* তবে নামাজে অট্টহাসি দিলে অজু ভেঙে যায়। (দারাকুতনি, হাদিস নং : ৬১৫)
* মৃতকে গোসল দেওয়ার পর। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি, হাদিস নং : ১৫১৬)
* মৃতের লাশ ওঠানোর জন্য। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি, হাদিস নং : ১৫০৩)
* প্রতি নামাজের জন্য নতুন অজু করা। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং : ৭৫০৪, বুখারি, হাদিস নং : ২০৭)
* ফরজ গোসল করার আগে। (বুখারি, হাদিস নং : ২৪০)
* গোসল ফরজ হয়েছে, এমন ব্যক্তির খাওয়া, পান করা ও ঘুমানোর আগে। (মুসলিম, হাদিস নং : ৪৬১)
* রাগের সময়। (আবু দাউদ, হাদিস নং : ৪১৫২)
* কোরআন তিলাওয়াতের সময়। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি, হাদিস নং : ৪৩৫)
* হাদিস পড়া ও বর্ণনা করার সময়। (আদাবুল উলামা ওয়াল মুতাআল্লিমিনি : ১/৬)
* ইসলামী জ্ঞান অর্জনের সময়। (তিরমিজি, হাদিস নং : ২৭২৩)
* আজান দেওয়ার সময়। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস নং : ১/২১১)
* ইকামত দেওয়ার সময়। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস নং  : ১/২১১)
* খুতবা দেওয়ার সময়। (তিরমিজি, হাদিস নং : ২৭২৩)
* মহানবী (সা.)-এর কবর জিয়ারতের সময়। (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬৪)
* ওকুফে আরাফা তথা আরাফায় থাকা অবস্থায়। (বুখারি, হাদিস নং : ১৪২৪)
* সাফা ও মারওয়ায় সায়ি করার সময়। (বুখারি, হাদিস নং : ১৫১০)

ইসলাম বিভাগে লেখা পাঠাতে মেইল করুন: bn24.islam@gmail.com

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮