আকাশবার্তা ডেস্ক :
ভালো থেকো আমার ভালোবাসা তোমার প্রেমিকদের নিয়ে। আমাদের দেশে তো ভালোবাসায় চিটিংয়ের শাস্তি নেই। তাই আমিই বিচার করলাম। আমিই চির শান্তির পথ বেছে নিলাম’। স্ত্রীর বহুগামিতা এবং স্বেচ্ছাচারিতা মেনে নিতে না পেরে নিজেই শিরায় ইনজেকশন পুশ করে আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে শেষ স্ট্যাটাস পোস্ট করেন ডা. মোস্তফা মোরশেদ আকাশ। যিনি চট্টগ্রামের তরুণ ডাক্তারদের জনপ্রিয় কোচিং সেন্টার থ্রি ডক্টরসের যুক্ত এবং একজন জনপ্রিয় শিক্ষক।
এদিকে স্ত্রীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মগোপনে হোটেলে গিয়েও রক্ষা পেলেন না চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন। স্ত্রীর করা অপহরণ মামলায় পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। এ ব্যবসায়ী আত্মহত্যা না করলেও তার ভাষায় ‘কবরই নিরাপদ’। চট্টগামের এ দুটি ঘটনা আলোচিত হচ্ছে সব সচেতন মহলে। ডা. মোস্তফা মোরশেদ আকাশের এ মৃত্যু মেনে নিতে পারেনি কেউ। তার স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুও একজন চিকিৎসক। তার বেপরোয়া জীবন আর বহুগামিতা মেনে নিতে পারেনি তরুণ চিকিৎসক। স্বামী হয়েও তাকে দেখতে হয়েছে পর পুরুষের সঙ্গে স্ত্রীর হোটেলে রাত্রী যাপনের দৃশ্য!
এ ঘটনার পর সাম্প্রতিক সময়ে নারীদের উগ্রতা-খামখেয়ালিপনা ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে। স্ত্রী কর্তৃক নির্যাতিত হলেও সামাজিকতার কারণে প্রকাশ করতে চাননা স্বামী। আবার বিচ্ছেদ ঘটাতেও নানা বিপত্তি। আইন নারী নির্যাতনের পক্ষে। আইনটা এমন যে কোনো গৃহবধূ অমত হলেই স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও যৌতুকের মামলা করতে পারেন। ভুক্তভোগী হতে হয় স্বামীসহ তার পরিবারের অন্য সদস্যদের।
ডা. আকাশের আত্মহত্যায় প্ররোচণার ঘটনায় তার স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নির্যাতন ও বেপরোয়া জীবনের অনেক তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ তা তদন্ত করে দেখছে। ডা. আকাশের এক ঘনিষ্ঠজন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লিখেছেন, বিবাহিত স্ত্রী একাধিক পুরুষের সাথে ব্যভিচার করে বেড়াচ্ছে। সব প্রমাণ স্বামীর হাতে, আছে ব্যভিচারী স্ত্রীর নিজ মুখের স্বীকারোক্তির ভিডিও। কিন্তু বাংলাদেশের দন্ডবিধিতে দাম্পত্য বিশ্বাস ও ভালোবাসার সঙ্গে এই ভয়াবহ প্রতারণার সব প্রকার শাস্তি থেকে ওই নারীকে অব্যাহতি দিয়েছে।
ব্রিটিশ আমলের ওই মান্ধাতার আইনের ৪৯৭ ধারা এখনো ধরে নিচ্ছে সেই ব্যভিচারী স্ত্রী পুরুষের প্রলোভনের শিকার; সেকশনেই উল্লেখ করে দেয়া আছে সেই নারীকে ব্যভিচারের সহযোগী হিসেবে দায়ী করা যাবে না। একই ঘটনায় স্ত্রীর পরিবারের সোশ্যাল স্ট্যাটাস রক্ষার চাপে বিয়ের দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৫ লাখ টাকা! বিচ্ছেদ চাইলেই ঠুকে দেয়া হবে অনাদায়ী দেনমোহরের মামলা-পরিশোধের সাধ্য নেই, যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলা, সামাজিক গঞ্জনার খড়গ তো ঝুলছেই!
আলোচ্য ঘটনায় স্বামীটি কোন পথে যাবে? স্ত্রীকে খুন? সেটি যে মৃত্যুদন্ডনীয় অপরাধ! অতঃপর সে নিজেকে খুন করার পথটাই বেছে নিলো। আইন এটিকে ‘আত্মহত্যা’ বলছে। আসলে কি তাই? গত বৃহস্পতিবার ভোরে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও আবাসিকের বি-ব্লকের ২ নম্বর সড়কের ২০ নম্বর বাসা থেকে ডা. মোস্তফা মোরশেদ আকাশের লাশ উদ্ধার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় চিকিৎসকরা ইনজেকশনে বিষ প্রয়োগ করে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করেন। পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও একই কথা উল্লেখ করা হয়।
স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আত্মগোপেনে চলে যায় তার স্ত্রী ডা. তানজিলা হক চৌধুরী মিতু। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচণায় মামলা হয়। গতকাল দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর নন্দনকানন এলাকায় খালাতো ভাইয়ের বাসা থেকে ডা. আকাশের স্ত্রী ডা. তানজিলা হক চৌধুরী মিতুকে গ্রেপ্তার করে নগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের একটি দল। মিতুর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমানত শাহ (র.) মাজার এলাকা থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে পুলিশ। ডা. আকাশ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তানজিলা হক চৌধুরী মিতু, তার পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের ব্যাপারে যেসব অভিযোগ করেন, সেসব বিষয় যাচাই চলছে। আকাশের মৃত্যুর পেছনে যদি তাদের কারো ইন্ধন থাকে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে মোস্তফা মোরশেদ আকাশের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি পুলিশ জব্দ করেছে। তবে মোবাইল ফোন থেকে আকাশ তার ফেসবুকে স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ ও বিভিন্ন ছবি সম্বলিত যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন সেগুলো ডিলিট করে দেয়া হয়েছে। পুলিশ বলেছে, স্ট্যাটাস ডিলিট করা হলেও তা রিকোভারের ব্যবস্থা রয়েছে। স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করার পর ডা. আকাশ আত্মহত্যা করেন। এর আগে তিনি ফেসবুকে স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এনে স্ট্যাটাস দেন। পরপুরুষের সাথে স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ কিছু ছবিও রয়েছে তার ফেসবুক টাইমলাইনে।
এদিকে, চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে তাঁর স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়িসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানায় মোস্তফা মোরশেদের মা জোবেদা খানম এ মামলা করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলায় আসামি হিসেবে মোস্তফা মোরশেদের স্ত্রী চিকিৎসক তানজিলা হক চৌধুরী মিতু, শ্বশুর আনিসুল হক চৌধুরী, শাশুড়ি শামীম শেলী, শ্যালিকা সানজিলা হক চৌধুরী, স্ত্রীর বন্ধু মাহবুবুল হক ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ভারতীয় নাগরিক প্যাটেলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
চান্দগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জোবাইর সৈয়দ বলেন, ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে নিহত চিকিৎসকের মা মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার তানজিলাকে আদালতে নেওয়া হচ্ছে। তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা মানসিক যন্ত্রণা ও উত্তেজনা সৃষ্টি করায় আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে মৃত্যুমুখে পড়েন মোস্তফা মোরশেদ আকাশ। ২০০৯ সালে তানজিলার সঙ্গে আকাশের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১৬ সালে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশে আসা যাওয়ার মধ্যে ছিলেন তানজিলা। বিয়ের পূর্বে ও পরে তিনি আসামি প্যাটেল ও মাহাবুবের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখেন। তানজিলাকে বারবার শোধরানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে অন্য আসামিদের চাপে পড়ে আত্মহত্যা করেন মোস্তফা মোরশেদ।
এদিকে গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিনে চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। অতিরিক্ত উপকমিশনার (উত্তর) মিজানুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গ্রেপ্তারের পর তানজিলা জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীর অভিযোগের কিছু বিষয় স্বীকার করেছেন। আর কিছু বিষয় এড়িয়ে গেছেন।
ডা. আকাশের মা জোবাইদা আক্তার জানান, গত বুধবার রাতে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া হয় আকাশের। রাত ৪টার আগে মিতু তার বাবাকে ফোন দিলে তিনি মিতুকে নিয়ে যান। এরপর আকাশ মনমরা হয়ে বাসার সোফায় বসে থাকে। এর কিছুক্ষণ পর মোবাইল চালাতে চালাতে ওয়াশরুমে যায় আকাশ। পরে ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে বাথরুমে তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় পাশেই কয়েকটি ইনজেকশনের সিরিঞ্জ পড়ে ছিল।
ডা. আকাশের ফেসবুক টাইমলাইনে দেখা যায়, তার শেষ স্ট্যাটাস ছিল ‘ভালো থেকো আমার ভালোবাসা তোমার প্রেমিকদের নিয়ে।’ আকাশ চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বাংলাবাজার বরকল এলাকার মৃত আব্দুস সবুরের ছেলে। এমবিবিএস শেষ করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে কর্মরত ছিলেন তিনি। সঙ্গে এফসিপিএস পড়ছিলেন।
নিহতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সঞ্জয় শুভ্র জানান, আত্মহত্যার এক ঘণ্টা আগে আকাশ নিজের ফেসবুকে স্ত্রীকে উদ্দেশ করে একটি স্ট্যাটাস দেন। যাতে স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি অভিমান এবং ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। স্ট্যাটাসে তিনি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে বহুগামিতার অভিযোগ তুলেছেন। তা প্রমাণে একাধিক ছেলের সঙ্গে স্ত্রীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবিও যুক্ত করেছেন। আত্মহত্যার আগে স্ট্যাটাসে নিজের মায়ের কাছেও ক্ষমা চান ‘মা তুমি মাফ করে দিও, তোমার স্বপ্নপূরণ করতে পারলাম না।‘ মায়ের ভালোবাসার কখনো তুলনা চলে না।
ডা. আকাশ লেখেন, আমাদের দেশে তো ভালোবাসায় চিটিংয়ের শাস্তি নেই। তাই আমিই বিচার করলাম। আমি চির শান্তির পথ বেছে নিলাম। ফেসবুক স্ট্যাটাসে স্ত্রীকে নিয়ে ডাক্তার আকাশ লেখেন ‘আমার সঙ্গে তানজিলা হক চৌধুরী মিতুর ২০০৯ সাল থেকে পরিচয়। প্রচণ্ড ভালোবাসি ওকে। ও নিজেও আমাকে অনেক ভালোবাসে। আমরা ঘুরে বেড়াই, প্রেম করে বেড়াই, আমাদের ভালোবাসা কমবেশি সবাই জানে। আমাকে অনেকে বউপাগলাও ডাকত।’ ২০১৬ সালে আমাদের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক দিন আগে জানতে পারি, … নামে চুয়েটের অষ্টম ব্যাচের এক ছেলের সঙ্গে হোটেলে রাত কাটায় মিতু। আরও কত কী, লজ্জা লাগছে সব লিখতে। তত দিনে সবাইকে বিয়ের দাওয়াত দেয়া শেষ। আমাকে যেহেতু চট্টগ্রামের সবাই চেনে, তাই বিয়ে বাতিল করতে পারিনি লজ্জায়।’
বিয়ের পর ওর মোবাইলে ভাইবারে দেখতে পাই… নামে কুমিল্লা মেডিকেলের এক ব্যাচম্যাটের সঙ্গে হোটেলে…শত শত ছবি। আমি তো বেঁচে থেকেও মৃত হয়ে গেলাম। তারপর শবে-কদরের রাতে কান্নাকাটি করে পা ধরে ক্ষমা চেয়ে বলে, আর কখনো এমন হবে না। আমিও ক্ষমা করে দিয়ে এক বছর ভালোভাবেই সংসার করলাম। তারপর ও দেশের বাইরে আমেরিকা গেল, মাঝখানে একবার ঈদ পালন করতে এলো গত বছর সেপ্টেম্বরে। আবার চলে গেল ইউএসএমএলইয়ের প্রিপারেশন নিচ্ছিল। সঙ্গে ফেব্রুয়ারিতে ২০১৯ সালে আমার ইউএসএ যাওয়ার কথা।
জানুয়ারি, ২০১৯ সালে জানতে পারি ও রেগুলার ক্লাবে যাচ্ছে, মদ খাচ্ছে, …নামে এক ছেলের সঙ্গে…। আমি বারবার বলছি আমাকে ভালো না লাগলে ছেড়ে দাও। কিন্তু চিট করো না, মিথ্যা বলো না। মিথ্যা বলো না। কিন্তু ও আমাকে কি ভালোবাসল? ওর বহুগামিতার হাজারো ছবি আছে।
এদিকে পরকীয়ার জের ধরে স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর আত্মহত্যার এক দিন পার না হতেই চট্টগ্রামে হাজি মো. জসিম উদ্দিন নামে ব্যবসায়ীর আত্মগোপন ও গ্রেপ্তারের ঘটনা সব মহলে আলোচিত হচ্ছে। স্ত্রীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হোটেলে আত্মগোপনে ছিলেন জসিম উদ্দিন। কিন্তু স্ত্রী কহিনুর মামলা করেন অপহরণের। পুলিশের খোঁজাখুঁজিতে নিজেই হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, গত বুধবার বিকাল ৪টার দিকে জসিম উদ্দিন আড়ৎ থেকে বাসায় যান। বাসায় স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। স্ত্রীর অশান্তিতে রাত সাড়ে ১২টার দিকে জসিম উদ্দিন বাসা থেকে বেরিয়ে যান। রাতে কোতোয়ালি এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে আত্মগোপন করেন। স্ত্রীর অপহরণের মামলায় পুলিশ তাকে উদ্ধারে অভিযানে নামে।
গত বৃহসস্পতিবার রাতে তিনি আড়তে গিয়ে দেখেন, সেখানে পুলিশ অবস্থান করছে। ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, ‘স্ত্রীর জ্বালায় ঘর ছেড়ে হোটেলে গেলাম সেখানেও থাকতে পারলাম না। পুলিশ যেখানে আমার স্ত্রীকে শাসাবে সেখানে উল্টো আমাকে শাসিয়ে গেল। মুচলেকা নিলো, যেন এ রকম আমি আর না করি। এখন দেখছি ঘর নয় কবরই নিরাপদ।’