বৃহস্পতিবার ৫ই মার্চ, ২০২৬ ইং ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

ইউটিউবে ভিডিও দেখা, আনছে যে বিপদ

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক :

একটি ছোট্ট ভিডিও অনলাইনে সরাসরি স্ট্রিম করলে তার মাশুল দিতে হয় পরিবেশকে, জানেন কি? শুধু ইউটিউব বা নেটফ্লিক্স নয়, এই দায়ের ভার হোয়াটসঅ্যাপের ওপরেও বর্তায়৷

পরিবারের কাউকে হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠান? বা ইউটিউবে নানা ভিডিও দেখেই অবসর সময় কাটান? এমনিতে, আমরা ভাবি এই সব কাজের কোনো প্রভাব পরিবেশের ওপর পড়ে না৷ কিন্তু আসলে তা নয়৷ বর্তমান সময়ে যখন একাধিক ‘স্ট্রিম’ ওয়েবসাইটের সাহায্যে বড় ভিডিও বা সিনেমা দেখা ছেলেখেলা হয়ে পড়েছে, একই সাথে তাল মিলিয়ে এর প্রভাব পড়ছে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর৷

এই মুহূর্তে ডিজিটাল প্রযুক্তিজনিত কার্বন নিঃসরণের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এরোস্পেস বা মহাকাশ শিল্পের কার্বন নিঃসরণের মাত্রাকেও৷ প্যারিসের ‘দ্য শিফট প্রজেক্ট’ সংস্থার একটি গবেষণা জানাচ্ছে, বিশ্বের সমগ্র কার্বন নিঃসরণের মোট আড়াই শতাংশের দায় মহাকাশ শিল্পের৷

উল্টোদিকে, চার শতাংশ কার্বন নির্গত হয় বিশ্বের ডেটা স্থানান্তর প্রক্রিয়া ও তার প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর কারণে৷

ভবিষ্যতের ভিডিও-বিপদ!

তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা সিসকোর একটি প্রতিবেদন বলছে, ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ অনলাইন মাধ্যমে অংশ নেবেন৷ এর ফলে যে ‘ইন্টারনেট ট্র্যাফিকের’ সৃষ্টি হবে, তার ৮০ শতাংশই আসবে ভিডিও ওয়েবসাইটগুলি থেকে৷

‘দ্য শিফট প্রজেক্ট’ সংস্থার গবেষক ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ম্যাক্সিম এফুই-হেস বলছেন, আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের বিষয়ে জরুরিভিত্তিতে পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন৷ আমাদের কাছে বিদ্যুতের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, ফলে এই হারে ইন্টারনেট চাহিদার সাথে লড়তে হলে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার আরো অনেক গুণ বাড়াতে হবে৷

Infografik Nutzungsarten Online-Videos DE

অনলাইন মাধ্যমে ভিডিও দেখার প্রক্রিয়া রীতিমত ডেটা-সাপেক্ষ৷ ২০১৮ সালে, অনলাইন ভিডিও ট্রাফিক থেকে ৩০ কোটি টনেরও বেশি কার্বন ডাইঅক্সাইড উৎপাদন হয়৷ স্পেনের আকারের একটি দেশ এক বছরে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ করে তার সমান পরিমাণের কার্বন নির্গত হয় এই ওয়েবসাইটে ভিড়ের কারণেই৷

একটি ভিডিওর রেজুলেশন বা মান যত উন্নত হবে, তত বেশি ডেটা বা তথ্যের সামর্থ্য প্রয়োজন৷ সাথে প্রয়োজন তাল মিলিয়ে বিদ্যুৎ৷

এই বিপদ ঠেকাতে এফুই-হেস বলছেন, মোবাইল ইন্টেরনেটের বদলে ওয়াইফাই ব্যবহার করলে তা থেকে কম কার্বন নির্গত হয়৷ বড় পর্দায় দেখার চেয়ে ছোট কোনো পর্দায় ভিডিও দেখুন, যাতে করে কম বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়৷

অপ্রয়োজনীয় ছবি বা ভিডিও ভার্চুয়াল ক্লাউডে তুলে দেওয়া কমান৷ হাই রেজুলেশনের বদলে কিছুটা নিম্নমানের ভিডিও দেখার অভ্যেস করুন৷ তাহলে অনেকটাই মোকাবিলা করা যাবে এই সমস্যা৷

সূত্র : ডিডব্লিউ

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১