আকাশবার্তা ডেস্ক :
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে কবুতরের দৌড় প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১০ টায় শ্রীমঙ্গল শহরের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে এ ফাইরালে উদ্ভোধন করা হয়।
বড়লেখা রেসিং পিজিয়ন ক্লাবের আয়োজনে শহরতলীর ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে এই ফাইনাল রাউন্ডে উপস্থিত ছিলেন বড়লেখা পিজিয়ন এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মো বদরুল ইসলাম, বড়লেখা পিজিয়ন এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জাবেদ আহমদ, উপদেষ্টা জাকির মোহাম্মদ। তারা তিনজন এই প্রতিযোগিতার বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্র্রীমঙ্গল রেসিং পিজিয়ন ক্লাবের সভাপতি মো হাবিবুর রহমান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক নাইম আহমেদ সবুজ, সাংগঠনিক আজহারুল ইসলাম অনিক প্রমুখ।
ফাইনাল রাউন্ডে কামরুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, মাসুম আহমদ, আব্দুল আহাদ, ইউনুস আহমেদ, মোনায়েম খান মুন্না এই সাতজনের প্রায় অর্ধ শতাদিক কবুতর অংশ নেয়।
আয়োজকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ২১ নভেম্বর মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলা থেকে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। বিভিন্ন রাউন্ড শেষে ফাইনাল হয় আজ শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে। বিচারকরা বড়লেখা থেকে বাক্সবন্দি করে কবুতরগুলোকে শ্রীমঙ্গলে নিয়ে আসেন।
প্রায় ৬৫ কিলোমিটার দূর থেকে বাক্স বন্দি এসব কবুতর ছেড়ে দেওয়া হয় মুক্ত আকাশে। ছাড়া পেয়ে কবুতরগুলো দল বেধে ও দলের বাহিরে রওয়ানা দেয় বড়লেখার উদ্দেশ্যে। সেখানে তাদের মালিকরা অপেক্ষায় আছে কখন কবুতরগুলো ফিরবে। যাদের কবুতরগুলো আগে পৌঁছবে তারা কবুতরের পায়ে থাকা গোপন নাম্বার বিচারকদের জানাতে হবে।
বড়লেখা পিজিয়ন এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও এই প্রতিযোগিতার বিচারক মো. বদরুল ইসলাম বলেন, তরুণরা যেন মাদক থেকে দূরে থাকে মুলতো এই জন্যই এই প্রতিযোগিতায় আয়োজন। আমাদের এই প্রতিযোগিতা থেকে তরুনরা কবুতর পালনে উৎসাহিত হবে।
এতে করে লেখাপড়ার পাশাপাশি তরুণরা কবুতর লালন-পালন করে সেগুলো বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীও হতে পারেন। এসব কাজের সাথে মিশে থাকলে মাদক থেকে তারা দূরে থাকবে বলে আমরা মনে করি। সকাল ১০টায় শ্রীমঙ্গল থেকে ছাড়া হয়েছে। প্রায় ৬৫ কিলোমিটার আকাশ পথ পেড়িয়ে দেড় থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে এগুলো বড়লেখা পৌঁছবে বলে মনে করি।