বুধবার ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ ইং ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

লক্ষ্মীপুরে ৩১ বছর পর জমি ফিরে পেয়েছে মালিক

আকাশবার্তা ডেস্ক :

দীর্ঘ ৩১ বছর আইনি লড়াই চালিয়ে লক্ষ্মীপুর শহরে ১৮ শতাংশ জমি ফিরে পেয়েছে জমির প্রকৃত মালিক। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে বৃহস্পতিবার (০৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে পুলিশের সহযোগীতায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে ওই জমিতে অভিযান চালানো হয়।

এসময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত ছিলো। আদালতের রায়ে জমির প্রকৃত মালিক জেলা শহরের দক্ষিণ তেমুহনী এলাকার মাহমুদ হোসেন নামে এক ব্যক্তি। তিনি বিএডিসির সাবেক ব্যবস্থাপক (খামার)। গোরাঙ্গ চন্দ্র নামে এক ব্যক্তি ও তার ওয়ারিশগণ দীর্ঘ সময় ধরে জমিটি অবৈধভাবে তাদের দখলে রেখেছেন।

জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার দক্ষিণ তেমুহনীর ৭৫ নং সমসেরাবাদ মৌজার জিলা জরিপি ৩৫৪ নং খতিয়ান ও এমআর ৩৪১ নং এর জমা খারিজ খতিয়ান নং ৭৪১, ৭৪২, ২২৯৮, ও ১৮১৭ অধীন ১০৮০ দাগে ১৮ শতাংশ জমির মালিক মকছুদুর রহমান নামে এক ব্যক্তি।

তিনি একজন সরকারী চাকুরীজীবি ছিলেন। ১৯৮৮ সালে পৌরসভার অনুমতি নিয়ে ওই জমিতে ব্যাণিজ্যিক ইমারত নির্মাণ করতে গেলে রাতের আঁধারে জমিটি জোরপূর্বক নিজেদের দাবি করে দখল করে নেয় গোরাঙ্গ চন্দ্র নামে আরেক ব্যক্তি।

১৯৯০ সালে মকছুদুর রহমান মারা গেলে তার ছেলে মাহমুদ হোসেন বন্টক ও উচ্ছেদের জন্য আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। সহকারী জজ আদালতে (রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর) ওই মামলার রায় হয় ১৯৯৭ সালের ২৫ জুন। রায়ে গোরাঙ্গ চন্দ্রকে অবৈধ দখলদার হিসেবে উল্লেখ করে বাদিকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়।

কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে আপিল করে বিবাদী পক্ষ। ২০০১ সালে সেটিও খারিজ হয়ে যায়। ২০০২ সালে বিবাদী উচ্চ আদালতে গেলে ২০০৮ সালে সেটিও খারিজ হয়। এভাবে পর পর ১২ টি মামলায় হেরে যায় বিবাদী পক্ষ।

জমির মালিক মাহমুদ হোসেন বলেন, ৩১ বছরে ১২টি মামলার রায় বিজ্ঞ আদালত আমার পক্ষে দেয়। বর্তমানে চুড়ান্ত জারিকৃত ডিক্রি অনুযায়ী উচ্ছেদ ও খাস দখলের জন্য গেল ১৯ সেপ্টেম্বর মূল কোর্ট সহকারী জজ আদালতে (রামগঞ্জ/লক্ষ্মীপুর) পিটিশন দাখিল করি। এর পরিপেক্ষিতে বৃহস্পতিবার অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১