আকাশবার্তা ডেস্ক :
শেরপুরের শ্রীবরদীতে ১৪ বছরের এক নাতনীকে অচেতন করে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ৬০ বছরের এক নানার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর পুলিশ ধর্ষক বদর আলীকে (৬০) আটক করেছে। উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের মলামারি পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম কাকিলাকুড়া বালিকা দাখিল মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। ভিকটিমের নানার চাচাতো ভাই বদর আলী একই বাড়ির বাসিন্দা। বদর আলী ৩ ছেলে ২ মেয়ে। একই বাড়ির সুবাদে বদর আলী তাদের ঘরে যাতায়াত করে।
প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস আগে ভিকটিমের সঙ্গে তার প্রতিবেশী এক যুবকের সম্পর্ক চলছিল। এসময় তার প্রেমিক তাকে বিয়ে করতে রাজী হয়নি। এ নিয়ে তার নানা বদর আলী তাকে তার প্রেমিককে বিয়েতে রাজী করাতে তেলপড়া দেয়ার কথা বলে তাকে তার গোয়াল ঘরে নিয়ে যায়।
এসময় তার নাকে মুখে তেলপড়া দিয়ে তাকে অচেতন করে ধর্ষণ করে। এভাবে কয়েকদিন ধর্ষণের পর বিষয়টি জানাজানির হলে হয়তো তার প্রেমিক তাকে বিয়ে করবে না এ ভয়ে সে ঘটনাটি গোপন রাখে। এতে ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে তার শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে তার পরিবার তাকে ডাক্তারি পরীক্ষা করান। এতে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা রিপোর্ট পেলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
এ নিয়ে মঙ্গলবার (২১জানুয়ারি) শালিস বৈঠক বসার আয়োজন করে ভিকটিমের পরিবার।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মিস্টার মিয়া জানান, তারা শালিসের কথা বলেছে। যেহেতু এটা শালিস যোগ্য না এ জন্য শালিসে যাইনি। এ ব্যাপারে শালিস বৈঠকে কেউ না আসায় ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষক বদর আলীকে আটক করেছে। এ সময় ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্যে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলার প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।