রবিবার ২২শে মার্চ, ২০২৬ ইং ৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজকীয় রূপকথার বাস্তব পরিণতি

লাইফস্টাইল ডেস্ক :

অবশেষে রাজপ্রাসাদ ছেড়ে নৈশভোজে অংশ না নিয়েই কানাডায় স্ত্রী মেগান ও ছেলে অর্চির কাছে চলে গেলেন ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের নাতি প্রিন্স হ্যারি। মেগানকে তিনি ভালোবেসে ২০১৮ সালে বিয়ে করেন।

কিন্তু হঠাৎ করে রাজপ্রাসাদ ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্রিটিশ রাজপরিবারে তৈরি হয়েছে সংকট। প্রিন্স হ্যারির এই সিদ্ধান্তকে অনেকে তুলনা করছেন অষ্টম অ্যাডওয়ার্ডের রাজসিংহাসন ত্যাগের সঙ্গে।

তাদের এই ঘটনা নিয়ে দেশ-বিদেশে চলছে আলোচনা-সমালোচনা এবার তাদের জীবনের নানা দিক নিয়ে লিখেছেন— জিয়া উল ইসলাম

হ্যারি ও মেগানের প্রেম-বিয়ে
৩ বছরের বড় প্রেয়সীর সাথে প্রেমের শুভ পরিণতি ঘটিয়ে এ বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে ১৯ মে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন প্রিন্স হ্যারি এবং মার্কিন টিভি সিরিয়ালের ‘স্যুটস’ অভিনেত্রী মেগান মার্কেল। রাজকীয় এই বিয়েতে খরচ হয় প্রায় ৩২৫ কোটি পাউন্ড।

বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন ৬০০ জন অতিথি। রিসিপশনে আরো ২০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। এক হাজার ২০০ সাধারণ অতিথির জন্য আয়োজনের করা হয় উইন্ডসর ক্যাসেলের মাঠে। বিয়েতে তৈরি করা কেকের খরচ পড়ে ৫০ হাজার পাউন্ড।

রাজপরিবারের নিজস্ব ক্রাউন এস্টেট আর উইন্ডসর গ্রেট থেকে সংগ্রহ করা ফুলের জন্য খরচ পড়ে এক লাখ ১০ হাজার পাউন্ড। খাওয়া-দাওয়ার জন্য খরচ হয় তিন লাখ পাউন্ড। পোশাকের জন্য খরচ হয় তিন লাখ পাউন্ড। মেগানকে সাজাতে খরচ হয় ১০ হাজার পাউন্ড। বিয়ের আংটির জন্য খরচ হয় ছয় হাজার পাউন্ড। এই বিয়ের জন্য প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কল দুজনকেই অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

দেখার বিষয়, এই দম্পতি কতদিন একসাথে থাকতে পারেন। হ্যারির আগেও সম্পর্কে ছিলেন মেগান। ২০০৪ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত মার্কিন অভিনেতা এবং প্রযোজক ট্রেভর এনগেল্টনের মধ্যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক চলে। তারা ২০১১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সে বিয়ে টেকেনি তাদের। ২০১৩ সালের আগস্ট মাসে তাদের বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে।

২০১৬ সালের জুন মাস থেকে রাজপুত্র হ্যারির সঙ্গে নতুন করে সম্পর্কে জড়ান। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে তাদের সম্পর্কের ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রকাশ করে গণমাধ্যম।

এরপর শুরু হয় নানা জল্পনা- কল্পনা। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর রাজপরিবারের যোগাযোগ সচিব একটি সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করেন। যেখানে ‘অপব্যবহার এবং হয়রানিমূলক সংকেত’ হ্যারির প্রতি উদ্দিষ্ট করে সম্বোধন করা হয়।

অবশেষে তিন বছরের বড় প্রেয়সীর সাথে প্রেমের পরিণতি ঘটিয়ে ২০১৮ সালে ১৯ মে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন প্রিন্স হ্যারি এবং মার্কিন টিভি সিরিয়ালের ‘স্যুটস’ অভিনেত্রী মেগান মার্কেল। রাজকীয় এই বিয়েতে খরচ হয় প্রায় ৩২৫ কোটি পাউন্ড। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন ৬০০ জন অতিথি। রিসিপশনে আরো ২০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

এক হাজার ২০০ সাধারণ অতিথির জন্য আয়োজনের করা হয় উইন্ডসর ক্যাসেলের মাঠে। বিয়েতে তৈরি করা কেকের খরচ পড়ে ৫০ হাজার পাউন্ড। রাজপরিবারের নিজস্ব ক্রাউন এস্টেট আর উইন্ডসর গ্রেট থেকে সংগ্রহ করা ফুলের জন্য খরচ পড়ে এক লাখ ১০ হাজার পাউন্ড।

খাওয়া-দাওয়ার জন্য খরচ হয় তিন লাখ পাউন্ড। পোশাকের জন্য খরচ হয় তিন লাখ পাউন্ড। মেগানকে সাজাতে খরচ হয় ১০ হাজার পাউন্ড। বিয়ের আংটির জন্য খরচ হয় ছয় হাজার পাউন্ড। এই বিয়ের জন্য প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কল দুজনকেই অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

যা হারালেন হ্যারি-মেগান
প্রি ন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন হতে চেয়েছেন আর এ জন্য তারা রাজপরিবার ছেড়েছেন । তবে তারা হারিয়েছেন অনেক কিছুই। হ্যারি ও মেগান তারা দুইজনই রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে যে বিলাসী জীবনযাপন করতেন তার সব ব্যয় এতদিন রাজপরিবার থেকেই বহন করা হয়েছে।

কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনে তারা এই ধরনের কোনো অনুদান পাবেন না। তাই তাদের যাবতীয় ব্যয় নিজেদেরই বহন করতে হবে। কিন্তু কীভাবে তারা এই কাজটি করবেন তা নিয়েই চলছে জোর আলোচনা।

ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান রাজপরিবারের বিভিন্ন উৎস থেকে প্রতি বছর ঠিক কী পরিমাণ অর্থ পেতেন তা যথাযথভাবে নিরূপণ করা কঠিন। সাসেক্সের একজন মুখপাত্রকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

তবে, বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, এই জুটির আয়ের ৯৫ শতাংশই আসে হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লসের কাছ থেকে। মূলত রাজপরিবারের ব্যক্তিগত সম্পদ ডুসি অব কর্নওয়ালই এই অর্থের উৎস।

এই ট্রাস্টের অধীনে অন্তত এক লাখ ৩১ হাজার একরের ভূসম্পদ রয়েছে এবং এখানে প্রায় সাড়ে চারশ মিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়িক সম্পদ রয়েছে। রাজপরিবারের অর্থের জোগান দেয়ার জন্য ১৩৩৭ সালে ডুসি অব কর্নওয়াল প্রতিষ্ঠা করা হয়।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই প্রতিষ্ঠান থেকে হ্যারি-উইলিয়াম দুই ভাইয়ের পরিবারকে সম্মিলিতভাবে ৬৫ লাখ ডলার অর্থ প্রদান করা হয়। আগের অর্থবছরের চেয়ে সেবার অর্থ সরবরাহের পরিমাণ একটু বেড়েছিল।

কারণ এই সময়ের মধ্যে হ্যারি-মেগান জুটির পুত্রসন্তান অর্চির জন্ম হয়। ডুসি অব কর্নওয়াল থেকে সম্মিলিতভাবে যে অর্থ প্রদান করা হয় তা ভাগাভাগি করে খরচ করে দুই ভাইয়ের পরিবার। এ ক্ষেত্রে উইলিয়াম এবং কেট দম্পতির তিন সন্তান হওয়ার কারণে তারা তুলনামূলক বেশি অর্থ পান।

হ্যারি-মেগান দম্পতি ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন, রাজপরিবারের জন্য সরকারি বরাদ্দ, যা সোভেরেইন গ্র্যান্ট নামে পরিচিত সেই খাত থেকে তারা কোনো অর্থ গ্রহণ করবেন না।

তবে ধারণা করা হয়, হ্যারি-মেগান জুটির বাৎসরিক মোট আয়ের মাত্র পাঁচ শতাংশ আসত এই খাত থেকে। তবে এই অর্থ তাদের দাপ্তরিক কাজেই ব্যয় হয়ে যেত। দাপ্তরিক এই সব কাজের মধ্যে রয়েছে রাজপরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ এবং অফিশিয়াল নানা খরচ।

রাজপরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পাালনের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সোভেরেইন গ্র্যান্ট হিসেবে আট কোটি ২০ লাখ পাউন্ড (৯০৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকার বেশি) বরাদ্দ দেয়া হয়। রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য হিসেবে হ্যারি ও মেগান ওই অর্থের একটি অংশ গ্রহণ করতেন।

নৈশভোজ না করে স্ত্রীর কাছে হ্যারি
ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারি কানাডায় স্ত্রী মেগান ও ছেলে অর্চির কাছে পাড়ি জমিয়েছেন। রাজকীয় দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার ঘোষণার পর তার এই যাওয়াকে ‘প্রতীকী প্রস্থান’ বলে মনে করা হচ্ছে। ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করা থেকে প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগানের সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তে ধাক্কা খায় শতাব্দীর প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠান।

ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য টেলিগ্রাফকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে— ২০ জানুয়ারি সোমবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্য আফ্রিকা বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগদান শেষে প্রিন্স হ্যারি কানাডার ভ্যানকুভারের উদ্দেশে রওনা হন। লন্ডনের সম্মেলনটি রাজপরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে তার শেষ আনুষ্ঠানিক রাজকীয় দায়িত্ব বলে মনে করা হচ্ছে।

তার এই চলে যাওয়াকে ‘প্রতীকী প্রস্থান’ বলা হচ্ছে। বাকিংহাম প্রাসাদ হ্যারি-মেগানের রাজকীয় উপাধি সরিয়ে নেয়ার ঘোষণার দুদিন পর প্রিন্স হ্যারি যুক্তরাজ্য ছেড়ে কানাডায় চলে গেলেন।

লন্ডনের সম্মেলনে যোগ দিলেও বাকিংহাম প্রাসাদে আফ্রিকার নেতাদের সম্মানে তার ভাই উইলিয়ামের দেয়া নৈশভোজে যোগ দেননি হ্যারি। এর আগে তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে ২০ মিনিট অনানুষ্ঠানিক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ করেন।

হ্যারি-মেগান দম্পতি ৮ জানুয়ারি আকস্মিক এক ঘোষণায় রাজকীয় দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে স্বনির্ভর জীবনযাপনে যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি কানাডায় বসবাসের কথা জানান। তাদের ওই ঘোষণায় ব্রিটিশ রাজপরিবারে তোলপাড় শুরু হয়।

তাঁদের ওই সিদ্ধান্ত থেকে ফেরাতে ১৩ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের নরফক কাউন্টির স্যান্ড্রিংহ্যাম প্রাসাদে হ্যারির সঙ্গে বৈঠক করেন রানি এলিজাবেথ ও তার উত্তরাধিকারীরা। বৈঠকে রানি হ্যারি ও মেগানের নতুন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে তার ‘পূর্ণ সমর্থন’ থাকার কথা জানান। তবে রানী জানান, তিনি চাইছেন হ্যারি-মেগান রাজপরিবারের সদস্য হিসেবেই পুরো সময় দায়িত্ব পালন করার।

এরপরও হ্যারি- মেগান তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসায় ১৮ জানুয়ারি বাকিংহাম প্রাসাদ এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাজ্যের ডিউক অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেল তাদের রাজকীয় উপাধি আর ব্যবহার করতে পারবেন না। চলতি বছরের বসস্ত থেকেই এটি কার্যকর হবে।

অভিনয় আর বই লেখে সংসার চলবে তাদের!
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যারি-মেগান রাজপরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যে সাধারণ জীবন-যাপনের কথা বলছেন, আক্ষরিক অর্থে তা কখনোই সম্ভব নয়। তাই রাজপরিবার থেকে অর্থ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে তাদের বিকল্প আয়ের অনুসন্ধান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মেগান বড় পর্দায় অভিনয় না করলেও হয়তো ছোট পর্দায় আবারো ফিরে যাবেন।

ফোর্বসের অনুসন্ধান থেকে জানা গেছে, ছোট পর্দায় ড্রামা সিরিয়াল ‘সুইটস’-এ আবারো নিয়মিত হতে পারেন মেগান। যেখান থেকে তিনি প্রায় ২২ লাখ মার্কিন ডলার আয় করবেন। সিরিয়ালের প্রতি এপিসোড থেকে প্রায় ৮৫ হাজার ডলার সম্মানি নেবেন মেগান। এ ছাড়া ১৯৯৭ সালে প্রিন্সের ডায়ানার মৃত্যুর পর তার সম্পদের উত্তরাধিকারী হয়েছেন দুই পুত্র হ্যারি ও উইলিয়াম।

এই সম্পদের পরিমাণও কম নয়, প্রায় তিন কোটি ১৫ লাখ মার্কিন ডলার। এই জুটি বই লিখে এবং বক্তৃতা দিয়েও প্রচুর আয় করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টদের সমপর্যায়ে তারা আয় করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানে প্রতি ভাষণের জন্য বিল ক্লিনটন এবং হিলারি ক্লিনটন লাখ ডলার আয় করেন।

২০১৭ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং ফার্স্টলেডি মিশেল বই লেখার চুক্তি করে সাড়ে ছয় কোটি মার্কিন ডলার আয় করেন। হ্যারি- মেগান জুটিও এই ধরনের অফার পেতে শুরু করেছেন।

শুধু তাই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই জুটির লাখ লাখ অনুসারী রয়েছে। শুধু ইন্সটাগ্রামেই তাদের এক কোটিরও বেশি অনুসারী রয়েছে। চাইলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রমোশন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেও তারা আয় করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে কিম কারদাশিয়ান এবং তার সৎ বোন কাইলি জেনারের উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রমোশনে প্রতি পোস্টের জন্য তারা পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার নিয়ে থাকেন।

রাজসিংহাসন ছাড়ার পর যা বললেন হ্যারি
ব্রিটেনের রাজসিংহাসনের দাবিদারদের একজন প্রিন্স হ্যারি জানিয়েছেন, তিনি ‘বিশ্বাসের ওপর ভর’ করে রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ ছাড়া তার ‘সত্যি আর কোনো উপায় ছিলো না’।

১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় এক অনুষ্ঠানে প্রিন্স হ্যারি বলেন, তিনি এবং মেগান রানী ও রাজপরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সে জন্য কোনো সরকারি অর্থ বরাদ্দ নিতে চাননি। ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সেটা সম্ভব ছিলো না।’সাবেক অভিনেত্রী স্ত্রী মেগানকে নিয়ে রাজকীয় উপাধি ও দায়িত্ব ত্যাগ করার ঘোষণা দেয়ার পর এই প্রথম কোনো বক্তৃতা দিলেন প্রিন্স হ্যারি।

তিনি বলেন, ‘আমি অনুমান করতে পারি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আপনারা আমাদের বিষয়ে কী কী শুনেছেন। কিন্তু আমি চাই আপনারা আমার মুখ থেকেই সত্যটা শুনুন।

আমি যতটা বলতে পারি, একজন রাজকুমার বা ডিউক হিসেবে না, কেবল হ্যারি হিসেবে।’ দাদি ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথকে নিজের ‘কমান্ডার ইন চিফ’ সম্বোধন করে প্রিন্স হ্যারি বলেন, তার প্রতি ‘সবসময় পরম শ্রদ্ধা থাকবে’।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছে ছিলো সরকারি অর্থ না নিয়ে রানীর প্রতি, কমনওয়েলথের প্রতি এবং আমার সামরিক সংস্থার প্রতি দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাওয়া। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটা সম্ভব ছিলো না।’

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১