আকাশবার্তা ডেস্ক :
সদ্য বহিষ্কৃত নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়াকে রিমান্ডে নেয়ার পর থেকে নানা অপকর্মের বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য বের হচ্ছে। কীভাবে এতদূর এসেছেন, কারা পাপিয়াকে প্রশ্রয় দিয়েছেন, কোন ধরণের মেয়েদের দিয়ে তিনি অভিজাত ব্যবসায়ীদের মনোরঞ্জন করতেন, সব কিছুই এরই মধ্যে সামনে এসেছে।
এদিকে রিমান্ডে এরই মধ্যে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) হুমকি দিয়ে পাপিয়া বলেছেন, বেশি চাপাচাপি করবেন না, করলে সব ফাঁস করে দেব।
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদকালে শামীমা নূর পাপিয়া বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পেতে ১০ কোটি টাকার ওপর খরচ করেছি। নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগাতে প্রায় চার কোটি টাকা খরচ করেছি। দলীয় পদ পেলেও এমপি মনোনয়ন পাইনি।
তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে প্রতারণার যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তার চেয়ে অনেক বেশি আমিই প্রতারিত হয়েছি। তাই পরবর্তী সময়ে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করে কয়েকজনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেছি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট ডিবি কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাপিয়া বেশ কয়েকজনের নামও বলেছেন। তবে এসব নাম প্রকাশ করতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা রাজি হননি। এদিকে, জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পাপিয়ার আরেকটি আস্তানার সন্ধান পেয়েছে ডিবি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে র্যাবের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্রথম থেকে পাপিয়ার অপকর্মের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে র্যাবের একটি টিম কাজ করছিল। র্যাব সদস্যরা স্বামী ও সহযোগীসহ পাপিয়াকে আটক করেছে। তদন্তের দায়িত্বও র্যাব পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।