মঙ্গলবার ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

নামাজ ত্যাগ করার ভয়াবহতা

আকাশবার্তা ডেস্ক :
প্রত্যেক বালিগ (প্রাপ্তবয়স্ক), আকিল (বুদ্ধিমান) এবং হায়িজ ও নিফাস থেকে পবিত্র মুসলিম নর-নারীর উপর নির্ধারিত সময়ে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ফরজ। এটা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান বা ইবাদত। অপ্রাপ্তবয়স্ক, পাগল এবং ঋতুমতী নারীর উপর নামাজ ফরজ নয়। এছাড়া কোনো কাফির মুসলমান হলে, নাবালিগ (অপ্রাপ্তবয়স্ক) বালিগ (প্রাপ্তবয়স্ক) হলে, পাগল সুস্থ হলে এবং কোনো নারী হায়িজ ও নিফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পর তাকবিরে তাহরিমা বাঁধার সময় বাকী থাকলে সে ওয়াক্তের নামাজ আদায় করো তার উপর ফরজ। আর যদি কেউ নামাজের শেষ ওয়াক্তে পাগল হলো, শেষ ওয়াক্তে কোনো নারীর হায়িজ-নিফাস আসলো এমতাবস্থায় সর্বসম্মতিক্রমে ঐ ওয়াক্তের নামাজ আদায় করা তার উপর ফরজ নয়।

নামাজ ত্যাগ করা গুনাহে কবীরা। হাদীসে নামাজ ত্যাগকারীর প্রতি কঠিন হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করা হয়েছে। হজরত জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) ইরশাদ করেন, মুমিন বান্দা ও কুফরীর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামাজ ত্যাগ করা। (বোখারী) অর্থাৎ নামাজ ত্যাগ করাই প্রমাণ করে যে, কে আল্লাহর বান্দা এবং কে আল্লাহকে অস্বীকারকারী কাফির। অন্য হাদীসে আছে, রাসূলুল্লাহ্ (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি নামাজ আদায় করে না, দীন ইসলামে তার কোনো অংশ নেই। (বোখারী ও মুসলিম)

বেনামাজি ব্যক্তি কিয়ামতের দিন চরমভাবে লাঞ্ছিত ও অপদস্থ হবে। এ সম্বন্ধে পবিত্র কুরআন মজীদে ইরশাদ রয়েছে, স্মরণ কর, সেই চরম সংকটের দিনের কথা, যেদিন তাদেরকে আহবান করা হবে সিজদা করার জন্য; কিন্তু তারা তা করতে সক্ষম হবে না। তাদের সৃষ্টি অবনত, হীনতা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে। অথচ যখন তারা নিরাপদ ছিল তখন তো তাদেরকে আহবান করা হয়েছিল সিজদা করতে। (সূরা কালাম, ৬৮ : ৪২-৪৩)

আলোচ্য আয়াতের সারমর্ম হলো, কিয়ামতের দিন যখন সর্বকালের সকল মানুষ ময়দানে হাশরে সমবেত থাকবে তখন আল্লাহ্ তাআলার এক বিশেষ তাজাল্লী প্রকাশিত হবে। সে সময় উচ্চস্বরে আওয়াজ দেওয়া হবে যে, তোমরা আল্লাহর তাআলার সামনে সরাসরি সিজদায় লটিয়ে পড়। এ ঘোষণার পর নামাজিগণ সিজদায় লুটিয়ে পড়বে। কিন্তু বেনামাজিরা সিজদা করতে সক্ষম হবে না। তাদের পিঠ কাঠের মত শক্ত হয়ে যাবে। তখন অপমান ও লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করে দিবে। এ ছাড়াও আরো বহু হাদিসে নামাজ ত্যাগ করার নানাবিধ ভয়াবহতা ও শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০