শুক্রবার ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

‘সাঈদীর ফাঁসি না হওয়ায় আমার দুঃখ রয়ে গেলো’

আকাশবার্তা ডেস্ক :
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে রিভিউতে সাঈদীর আপিল বিভাগের দেয়া রায় বহাল থাকায় আমার দুঃখ রয়ে গেলো।তিনি বলেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসি না হওয়ায় রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে আমার দুঃখ রয়ে গেল। আমরা সর্বোচ্চ সাজা আশা করেছিলান। কিন্তু আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আগের রায় বহাল রেখেছেন।

সোমবার প্রধান বিচাপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় বহাল থাকার পর তিনি এ কথা বলেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের রিভিউ খারিজ করে দেন। আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি আব্দুল ওয়াহাব মিঞা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

মাহবুবে আলম বলেন, মূলত প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থার ব্যর্থতার কারণে রিভিউ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। সাঈদীর যে দণ্ড হওয়ার কথা ছিল আদালত তা দিলেন না। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে আমার দুঃখ রয়ে গেল। দেশের সকল মানুষের আশা ছিল সাঈদীর সর্বোচ্চ রায় হবে।সোমবার রিভিউ শুনানি শেষে আপিল বিভাগের দেয়া আমৃত্য কারাদণ্ড বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ।

গত ১১ মে খালাস চেয়ে সাঈদী এবং সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে রাষ্টপক্ষের করা আবেদন দুটি শুনানি জন্য ১৪ মে’র কার্যতালিকার ৩০ নম্বরে রাখা হয়। এর আগে গেলো ৬ এপ্রিল আবেদনটি কার্যতালিকায় ১৪৭ নম্বরে ছিল।

কিন্তু ওই দিন শুনানি পেছানোর আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। পরে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ তা আমলে নিয়ে ১৪ মে নতুন দিন ঠিক করেন।

শুনানিতে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ২০১৬ সালের ১২ জানুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসি চেয়ে আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। ওই বছরের ১৭ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালাস চেয়ে রিভিউ করেছিলেন সাঈদীর আইনজীবীরা।

এর আগে, ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেন।

হত্যা, ধর্ষণ, লুট, নির্যাতন ও ধর্মান্তরে বাধ্য করার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। সাঈদীর বিরুদ্ধে গঠিত ২০টি অভিযোগের মধ্যে আটটি প্রমাণিত হয়। ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর সাঈদীর বিচার শুরু হয়েছিল।

সূত্র : আমার সংবাদ/আকাশবার্তা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮