ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর একটি বাড়ি। যে বাড়িটি বহন করছে বাঙালি জাতির অনেক স্মৃতি চিহ্ন। যেখানে থেকে বঙ্গবন্ধু মুজিব নেতৃত্ব দিয়েছেন, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের।
একই সাথে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের বীভৎস ঘটনার সাক্ষী বহন করছে বাড়িটির প্রত্যেকটি দেয়াল এবং সিঁড়ি। সবখানে গুলি আর রক্তের ছোপ ছোপ চিহ্ন। তিনতলা এই ভবনটিকে বলা হয় বঙ্গবন্ধু ভবন। ১৯৯২ সালে স্কুলজীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হলেও যে বাড়ি দেখার সৌভাগ্য আমার হয়ে ওঠেনি।
এখন রাজনীতি থেকে অনেক দূরে পেশাগত জীবনের (সাংবাদিকতা) ১০ বছর পর গত ৩০ এপ্রিল/১৭ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যাই। পুরো ভবনের প্রত্যেকটি কক্ষ ঘুরে ঘুরে দেখতে দেখতে ছাদ পর্যন্ত গেলাম। দেখলাম সেই বীভৎসতা আর নৃশংসতা। ভাবলাম এই বুঝি বাঙালির প্রতি বঙ্গবন্ধুর আকাশ চুম্বি ভালোবাসার প্রতিদান।
দর্শনার্থী মন্তব্যের বইতে লিখলাম, খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে তুমি হলে জাতির জনক। তোমার নেতৃত্বে আমরা পেলাম একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। আমি গর্বিত, আমি একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক। বঙ্গবন্ধু তোমায় লাখো কোটি সালাম।
১৯৯৭ সালে এই বাড়িটি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। সপ্তাহে বৃহষ্পতিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে। বুধবার এটি বন্ধ থাকে। এছাড়াও সরকারি সকল ছুটির দিনগুলিতেও এই জাদুঘর বন্ধ থাকে।