চন্দ্রগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানা এলাকার ৯টি ইউনিয়নে এবার ১৫টি পূজামন্ডপে শারদীয় দূর্গোৎসব পালনের প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব। প্রতিটি ম-পে এগিয়ে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ, ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রতিমা শিল্পীরা।
মন্ডপগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরীতে সাজসজ্জা ও রংতুলির কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। মৃৎ শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় প্রতিমা ধীরে ধীরে দেবী রূপ ধারণ করবে।
প্রতিমা শিল্পীরা জানিয়েছেন, করোনার কারণে বিগত বছরের চেয়ে এবছর তাদের পারিশ্রমিক কম। বর্তমান সরকার অনেককে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করলেও মৃৎশিল্পীরা কোন সাহায্য সহযোগিতা পায়নি। সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।
চন্দ্রগঞ্জ থানা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাদল মজুমদার বাপ্পী ও সাধারণ সম্পাদক জয়দেব নাথ জানান, দূর্গাপূজো বিধিমতো উদযাপনের লক্ষ্যে পূজাকমিটিগুলোকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। করোনা মহামারীর কারণে এ বছর পূজা উদযাপনে অনেক নিয়মনীতি কাটছাট করা হয়েছে বলে তারা জানান।
এ দিকে বুধবার ১৫টি পূজামন্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং চন্দ্রগঞ্জ থানা পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এতে পূজায় আগত দর্শনার্থী ও পূজামন্ডপগুলোর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনাসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন বলেন, পূজা চলাকালীন সময়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বক্ষনিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। এছাড়া পুলিশের একাধিক মোবাইল টিম পূজা উদযাপন এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে।