মঙ্গলবার ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

ঢাকার বাইরে সাত সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগ শিগগির

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক :

সারাদেশে সাইবার অপরাধ ও মামলা বেড়ে যাওয়ায় আরো সাত বিভাগীয় শহরে ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে সরকার। বর্তমানে এই ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

চলতি বছরের শেষের ওই বিভাগীয় শহরগুলোতে সাইবার ট্রাইব্যুনালে বিচার কাজ শুরু হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিগগিরই বিচারক নিয়োগ দেয়ার মাধ্যমে এসব ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে ঢাকায় প্রথম সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠনের সাত বছর পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে সারাদেশের বিভাগীয় শহরে আরো সাতটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সরকার।

শহরগুলো হলো-চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ। এরইমধ্যে এসব বিভাগীয় শহরে আদালত তৈরির কাজ ও জনবল নিয়োগের জন্য অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

বর্তমানে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। আর বিচারক নিয়োগ শেষ হলেই বিচার কাজ শুরু হবে।

এদিকে ট্রাইব্যুনাল গঠনের আট মাস পার হলেও বিচারক নিয়োগ না হওয়ায় ভোগান্তি বেড়েছে বিচার প্রার্থীদের। মামলা দায়ের ও বিচারের জন্য রাজধানীতেই আসতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। বিভাগীয় সাত শহরের ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু হলে মামলা করার জন্য রাজধানীতে না এসে বিভাগীয় শহরে মামলা দায়ের ও বিচারকাজ করতে পারবেন ভুক্তভোগীরা।

সাইবার অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশের বিভিন্ন থানা থেকে বিচারের জন্য সাইবার ট্রাইব্যুনালে মোট মামলা এসেছে দুই হাজার ৬৪২টি। প্রতিবছরই মামলার সংখ্যা বেড়েছে।

এর মধ্যে ২০১৯ সালে ৭২১টি, ২০১৮ সালে ৬৭৬টি, ২০১৭ সালে ৫৬৮টি, ২০১৬ সালে ২৩৩টি, ২০১৫ সালে ১৫২টি, ২০১৪ সালে ৩৩টি এবং ২০১৩ সালে এসেছে ৩টি মামলা। আর চলতি বছরে ২৫৬টি মামলা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত সরাসরি ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হয়েছে ১ হাজার ৮২টি মামলা। এরমধ্যে ৪৪৭টি মামলায় বিভিন্ন সংস্থাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। বাকি ৬৩৫টির প্রয়োজনীয় উপাদান না থাকায় আদালত খারিজ করে দেন। ৪৪৭টির মধ্যে ১৫০টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এরইমধ্যে আদালতে জমা হয়েছে। বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে সব মিলিয়ে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দুই হাজার ২১টি।

ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর থেকে গত ৩১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২৪টি মামলার রায় ঘোষণা হয়। এর মধ্যে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ২৯টি মামলায় আসামির সাজা হয়েছে।

আর অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ৯৫টি মামলায় আসামিরা বেকসুর খালাস পেয়েছেন। এর বাইরে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিনেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন ২০০টিরও বেশি মামলার আসামিরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ২০১৩ সালে ঢাকায় প্রথম সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর সারাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর অপরাধের জন্য বিচার প্রার্থীদের রাজধানীতে আসতে হতো। মামলার সংখ্যা ও ভুক্তভোগীদের সমস্যায় বিবেচনায় নিয়ে সরকার চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সাত বিভাগীয় শহরে সাতটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। কয়েক ধাপের প্রক্রিয়া শেষে বর্তমানে বিচারক নিয়োগের কাজ চলছে। বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হলেই বিচার কাজ শুরু হবে এবং বিচার প্রার্থীদের ভোগান্তিও কমবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১