মঙ্গলবার ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

ক্ষমতা হারিয়েও যেসব সুবিধা পাবেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী জো বাইডেন। এর ফলে ক্ষমতায় থেকেও ব্যাপক ব্যবধানে হেরে গেলেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

আর এই কারণেই আড়াই মাসের মধ্যেই হোয়াইট হাউস ছেড়ে চলে যেতে হবে তাকে। তবে প্রেসিডেন্টের পদ হারালেও ট্রাম্পের জন্য সরকারি খাতে খরচ খুব কম হবে না যুক্তরাষ্ট্রের।

পদ হারিয়ে যা যা পাবেন ট্রাম্প 

পদ হারালেও ট্রাম্প বেশ মোটা অঙ্কের পেনশন পাবেন আজীবন। সঙ্গে পাবেন আমেরিকার ঝাঁকজমক এলাকায় অফিস চালানোর বিশাল জায়গা ও সুবিধা। তার যাবতীয় খরচ বহন করবে সরকার। সেই অফিসে বহু কর্মী রাখার যাবতীয় খরচও পাবেন। 

তা ছাড়াও ট্রাম্প পাবেন বিস্তর ঘোরাঘুরি আর টেলিফোনের খরচ। আর আজীবন পাবেন তিনি ও নিজের পরিবারের জন্য সিক্রেট সার্ভিসের নিরাপত্তা রক্ষার সুবিধা। 

আমেরিকার সংবিধান মোতাবেক শুধু ট্রাম্প নন, তাকে নিয়ে আমেরিকার যে ৪৫ জন প্রেসিডেন্ট এখন পর্যন্ত অবসরে গিয়েছেন আজীবন তাদের সকলের জন্যই সরকারি খাতে পেনশনসহ ওই সব ক্ষেত্রে বিশাল অঙ্কের অর্থবরাদ্দ থাকে প্রতি বছরের বাজেটে। যার শুরুটা হয়েছিল ১৭৮৯ সালে আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের হাত ধরে।

সব প্রাক্তন প্রেসিডেন্টই আমেরিকার সংবিধানের রীতি অনুযায়ী বেতন পান। ২০১৭ সালে সেই পরিমাণ ছিল প্রতি বছরে ২ লাখ ৭ হাজার ৮০০ ডলার। এটা শুধুই বেতন, অন্যান্য ভাতা তো রয়েছেই।

এদিকে ২০১৮ সালে কংগ্রেসে যে বাজেট প্রস্তাব জমা পড়েছিল তাতে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অফিসের জায়গার জন্য খরচ রাখা হয়েছিল ৫ লাখ ৩৬ হাজার ডলার। আর এক প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের ঘোরাঘুরির জন্য খরচ বরাদ্দ করা হয়েছিল ৬৮ হাজার ডলার।

শুধু তাই নয় প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের স্ত্রীদের মোটা অঙ্কের পেনশন পাওয়ারও অধিকার দেওয়া হয়েছে আমেরিকার সংবিধানে। সেটাও খুব কম নয়! বছরে ২০ হাজার ডলার। তা আবার আজীবন পেয়ে যাবেন। সঙ্গে তারাও পান ঘোরাঘুরি, টেলিফোন ও যোগাযোগরক্ষার যাবতীয় খরচ।

প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ও তার পরিবারের নিরাপত্তারক্ষার জন্য ২০১৫ সালে বরাদ্দ হয়েছিল ২ লাখ ডলারেরও বেশি। আর সেই খরচটা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের ক্ষেত্রে ছিল ৮ লাখ ডলার।

এই সব ছাড়াও আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টরা আত্মজীবনী লিখে, কোন নামজাদা কর্পোরেট সংস্থার পরিচালন বোর্ডের সদস্য হয়ে বা বিশ্বের নানাপ্রান্তে আমন্ত্রণী বক্তৃতা দিয়ে প্রচুর ডলার উপার্জন করতে পারেন। আমেরিকার সংবিধানে সেই অধিকার দেওয়া রয়েছে।

অবসর নেওয়ার পর শুধু বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দিয়ে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন উপার্জন করেছিলেন সাড়ে ৬ কোটি ডলার। আর আত্মজীবনী ছাপিয়ে আয় করেছিলেন দেড় কোটি ডলার। এই সব সুযোগ থাকবে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষেত্রেও।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০