আইন আদালত ডেস্ক :
অবশেষে একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের বরখাস্ত চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। জালিয়াতি করে দ্বিতীয় জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির মামলায় তাকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
তবে জামিন পেয়েও কারাগারে থাকতে হচ্ছে সাবরিনাকে। করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে এখন কারাভোগ করছেন তিনি।
এদিকে গত ২২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির মামলায় সাবরিনা জামিন পেলেও তা জানাজানি হয় রোববার (১৩ ডিসেম্বর)।
বাড্ডা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মাঝহারুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছন।
এর আগে, গত ৩১ আগস্ট সাবরিনার বিরুদ্ধে গুলশান থানা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া রাজধানীর বাড্ডা থানায় মামলা করেন। এতে বলা হয়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বৈত ভোটার হওয়া এবং একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে অপরাধ করেছেন সাবরিনা।
এদিকে ২০১০ সালের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইনের ১৪ ও ১৫ ধারায় এ মামলা করা হয়েছে।
১৪ ধারায় মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগ প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে। ১৫ ধারায় একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র নেয়ার অভিযোগ প্রমাণ হলেও একই শাস্তি হতে পারে।
এখন ২০১৫ সাল থেকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করে আসা সাবরিনার বিরুদ্ধে করোনা পরীক্ষার নামে জালিয়াতির অভিযোগে বিচার চলছে। জেকেজি হেলথ কেয়ার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী আরিফুল হক চৌধুরীর স্ত্রী এই চিকিৎসক। তারা দুইজনই এই মামলায় কারাভোগ করছেন।
সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেকেজির চেয়্যারম্যান হয়ে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা ভঙ্গ করার অভিযোগে সাবরিনাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত ১২ জুলাই সাবরিনাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এর আগে, গত ২৭ আগস্ট বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই মামলায় বিচার শুরু হয়েছে।