রবিবার ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

সেরা ১০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের তনিমা

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক :

সায়েন্স নিউজ ২০২০ সালের উদীয়মান ১০ জন তরুণ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করেছে যার মধ্যে বাংলাদেশি-আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী তনিমা তাসনিম অন্যন্যা স্থান পেয়েছেন। 

‘এসএন টেন: সায়েন্টিস্ট টু ওয়াচ’ এর শুরুতেই আছেন তনিমা তাসনিম অনন্যা। ২৯ বছর বয়সী এই জ্যোতির্বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণার কারণে এই স্বীকৃতি পেলেন।

সায়েন্স নিউজ টানা ছয় বছর ধরে তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে উদীয়মান ও ক্যারিয়ারের মাঝামাঝি থাকা সম্ভাবনাময় তরুণ বিজ্ঞানীদের তালিকা প্রকাশ করছে।

চলতি বছর এই তালিকায় স্থান পাওয়া প্রত্যেকেই ৪০ বা তার চেয়েও কম বয়সী। এবং তারা প্রত্যেকেই নোবেল বিজীয়দের দ্বারা মনোনীত হয়েছেন।  

৩০ সেপ্টেম্বর সায়েন্স নিউজের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত তিনি সবচেয়ে ভারি কৃষ্ণগহব্বর আঁকতে সক্ষম হয়েছেন এবং দেখিয়েছেন, মহাবিশ্বে কোথায় কীভাবে কৃষ্ণগহব্বর বেড়ে উঠছে এবং কীভাবে তারা তাদের পরিবেশকে প্রভাবিত করে। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এটি সম্পন্ন করেছেন। 

তনিমার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন পাঁচ বছর বয়সে যখন ঢাকায় ছিলেন, তখন তার গৃহবধূ মা তাকে মঙ্গল গ্রহে পাথফাইন্ডার মহাকাশযানের অবতরণের কথা বলেছিলেন।

তনিমার মা গৃহবধূ হলেও বিজ্ঞানের বিষয়ে তার কৌতূহল ছিল এবং তনিমার কৌতূহলকে তিনি উৎসাহিত করেছিলেন। 

তনিমা বলেন, যখন আমি বুঝতে পারি যে মহাবিশ্বে আরও অন্যান্য জগত রয়েছে, আমি তখনই জ্যোতির্বিজ্ঞান অধ্যয়ন করতে চেয়েছিলাম। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই বিষয়ে পড়ার সুযোগ না থাকায় আমি পেনসিলভেনিয়ার ব্রায়ান মাওর কলেজে পড়তে স্নাতক পর্যায়েই যুক্তরাষ্ট্রে চলে এসেছিলাম।  

তনিমা বর্তমানে ডার্টমাউথ কলেজের একটি পোস্টডক্টোরালের গবেষণা সহযোগী। ব্রায়ান মাওরের পরে তিনি এখন ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

গবেষণার পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরামর্শদাতা নেটওয়ার্ক, ‘ওয়াই-স্টেম (উচ্চারণ উইজডম যার অর্থ প্রজ্ঞা)’ এর সহ-প্রতিষ্ঠা হিসেবে কাজ করছেন। 

তনিমা এবং অন্য চারজন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী বাংলাদেশের ২০ জন হাইস্কুল ও কলেজ লেভেলের ছাত্রীকে পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন যারা ভবিষ্যতে গবেষণাখাতে তাদের লক্ষ্য খুঁজে পেতে পারে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০