সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

লক্ষ্মীপুরে লাশ গুমের মামলায় সেই গৃহবধূ অতঃপর জীবিত উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার পশ্চিম চরপাতা এলাকার গৃহবধূ ইয়াসমিন আক্তার বিথীকে অপহরণ ও লাশ গুমের অভিযোগে শশুর বাড়ির লোকজনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়েরের ৭ মাস পর ওই গৃহবধূকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিআইবি)।

রোববার সকালে ঢাকা সাভারের নবীনগর এলাকা থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেলে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জুয়েল দেব এর আদালতে হাজির করা হয়।

পরে আদালতে ওই গৃহবধূ ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. ফরিদ উদ্দিন। তিনি জানান, ইয়াসমিন আক্তার বিথীকে অপহরণ ও তাকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়নি। সাতমাস পর তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, গৃহবধূ বিথীর স্বামী আবদুর রব চাকুরীর সুবাধে ওমানে থাকেন। এ সুযোগে অন্য পুরুষের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এসব বিষয়ে একাধিকবার সামাজিকভাবে দুই পরিবারের মধ্যে শালিস বৈঠকও হয়। এর জের ধরে ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর বিকেলে শশুরবাড়ি থেকে ইয়াসমিন আক্তার বিথী কাউকে কিছু না বলে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা পয়সা নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এর পরদিন রায়পুর থানায় গৃহবধূর শশুর আবদুল কাদের একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।

ঘটনার একমাস পরে ১৯ নভেম্বর ইয়াসমিন আক্তার বিথীর বাবা বাবুল মিয়া বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ( রায়পুর-১) আদালতে অপহরণ, লাশ গুমের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয় শশুর আবদুল কাদের, শাশুড়ী খুকি বেগম, আবদুল কাদেরের মেয়ের জামাতা আক্তার হোসেন ও বিনু আক্তারসহ ৪ জনকে। পরে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিআইবি) নোয়াখালীকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।

তবে অভিযোগ রয়েছে, শশুরবাড়ির লোকজনকে ফাঁসাতে ইয়াসমিন আক্তার বিথীর বাবা বাবুল মিয়া ও তার মা হাসিনা আক্তার মিলে এ অপহরণ ও লাশ গুমের নাটক সাজিয়েছেন। দীর্ঘ সাতমাস নানা হয়রানির শিকার হতে হয়েছে আসামি পক্ষকে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও এ মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান ক্ষতিগ্রস্তরা।

এদিকে আদালত প্রাঙ্গনে কান্নাজড়িত কন্ঠে আবদুর কাদের বলেন, কি অপরাধে অপহরণ করে বিথীকে লাশ গুমের মামলা দেয়া হয়েছে। এ মামলার কারণে দীর্ঘ সাত মাস ঘরে ঘুমাতে পারিনি। অর্থ ও সম্মানসব গেলো। এ ঘটনার পিছনে বিথীর বাবা বাবুল, মা হাসিনা ও জেঠা সৈয়দ আহমদের ইন্ধনে এ মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন তিনি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

October 2026
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31