সোমবার ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

১৬ দেশে একযোগে নজিরবিহীন অভিযান, ৮ শতাধিক অপরাধী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সংগঠিত অপরাধ-চক্রের বিরুদ্ধে ১৬টি দেশে চালানো এক নজিরবিহীন অভিযানে ৮০০ এর বেশি সন্দেহভাজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে নগদ প্রায় পাঁচ কোটি ডলার এবং কয়েক টন মাদকদ্রব্য।

এই অপরাধ-চক্রকে ধরতে এক অভিনব কৌশল ব্যবহার করা হয়েছিল। খবর বিবিসি বাংলার।

তারা সন্দেহভাজন অপরাধীদের একটি মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করতে আকৃষ্ট করে, এবং এর মাধ্যমে তাদের গোপন তৎপরতার তথ্য জানতে পারে। অভিনব এই স্টিং অপারেশনের নাম ছিল ‘অপারেশন ট্রোজান শিল্ড/গ্রিন-লাইট’।

এতে যুক্ত ছিল যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই এবং অস্ট্রেলিয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা অ্যানম নামে একটি মেসেজিং অ্যাপকে কাজে লাগায়- যা এফবিআই নিজেই তৈরি করে।

বিভিন্ন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা প্রচলিত কিছু মেসেজিং অ্যাপ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে অপরাধী চক্রগুলো নতুন এবং নিরাপদ ফোনের সন্ধানে ছিল।

এরই সুযোগ নিয়ে এফবিআই তাদের গুপ্তচরদের মাধ্যমে অ্যানম অ্যাপটি ইন্সটল করা আছে এমন মোবাইল ফোন অপরাধীদের মধ্যে গোপনে ছড়িয়ে দেয়। ফলে পুলিশ অপরাধীদের ফোনে কথোপকথন ও বার্তা বিনিময়ের ওপর নজরদারি করতে সক্ষম হয়।

১০০টি দেশে ৩০০ অপরাধ সিন্ডিকেট এরকম ১২ হাজার ডিভাইস ব্যবহার করছিল, যার সবগুলো থেকে লাখ লাখ মেসেজ পুলিশ কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পাচ্ছিলেন।

এতে জড়িত ছিলেন সারা বিশ্বের ৯ হাজার পুলিশ কর্মকর্তা। তারা জানতে পারেন কীভাবে অপরাধীরা মাদক ও অর্থ পাচার থেকে শুরু করে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। ঐ অভিযানের লক্ষ্য যারা ছিল তাদের মধ্যে আছে মাদকপাচারকারী চক্র এবং মাফিয়ার সঙ্গে যুক্তরা।

১৬টি দেশে চালানো এ অভিযানে ৮০০ এর বেশি সন্দেহভাজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নগদ প্রায় পাঁচ কোটি ডলার পরিমাণ অর্থ ছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি, আট টন কোকেনসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য, ২৫০টি বন্দুক, দামি গাড়ি ইত্যাদি।

কর্মকর্তারা বলছেন, এটি অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী ঘটনা।

এই অভিযান শেষ হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, সারা বিশ্বের সংগঠিত অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে তারা এক বড় আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১