আকাশবার্তা ডেস্ক :
আমার স্বামী নয়, বাবা-মা ও বোনকে আমিই খুন করেছি। তবে মামলার বাদী ও আত্মীয়-স্বজনরা মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলামকে ঘটনায় দায়ী করলেও তিনি স্বামীর বিষয়টি বাদ রেখেছেন।
রাজধানীর কদমতলীতে আলোচিত তিন খুনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইয়াসমিন আরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
টানা ৪ দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহজাবিনকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) জাকির হোসাইন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
শনিবার (১৯ জুন) সকালে জাতীয় জরুরি সেবার হটলাইন ৯৯৯ এ একটি ফোন পেয়ে রাজধানীর কদমতলী এলাকার একটি বাসা থেকে এক দম্পতি ও তাদের এক মেয়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মা-বাবাসহ ছোট বোনকে হত্যা করে ৯৯৯-এ ফোন দেন মুন নিজেই।
এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কদমতলীর মুরাদপুর হাজী লাল মিয়া সরকার রোড এলাকা থেকে স্বামী, স্ত্রী ও মেয়ের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে। আটক মেহজাবিন থাকেন আলাদা বাসায়। মায়ের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।
জানা যায়, দুইদিন আগে স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন মেহজাবিন। এসেই তার ছোট বোন জান্নাতুলের সঙ্গে তার স্বামীর পরকীয়া রয়েছে বলে বাবা-মাকে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। তার জেরেই হয়তো তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।