সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার

যানবাহন নেই, পায়ে হেঁটেই মাইলের পর মাইল পাড়ি শ্রমিকদের

আকাশবার্তা ডেস্ক : 

রাস্তায় কোন যানবাহন না থাকায় পায়ে হেটেই পথ পাড়ি দিচ্ছেন হাজার হাজার কর্মজীবি মানুষ। আগামীকাল (১ আগস্ট) থেকে কল-কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণার পর তারা কর্মস্থল রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শনিবার (৩১ জুলাই) মাওয়া ঘাটে মানুষের ঢল নেমে এসেছে। ফেরি থেকে নেমেই কোন যানবাহন না পেয়ে অনেকটা নিরুপায় হয়ে পায়ে হেঁটে রওনা হচ্ছেন অনেকে। কেউ কেউ মোটরসাইকেল, ভ্যান এবং পিকআপে করে ঢাকায় রওনা দিলেও গুনতে হচ্ছে কয়েকগুন বেশি ভাড়া।

কর্মস্থলে ফেরা এসব যাত্রীরা বলছেন, আমরা যখন ঈদে বাড়ি ফিরছিলাম তখন আমাদের বলেছিলো লকডাউন শেষে কল-কারখানা খুলে দেওয়া হবে। এ কয়েকদিন যেন আমরা যেখানে আছি সেখানেই নিরাপদে থাকি। কিন্তু কঠোর লকডাউনের মধ্যে কল-কারখানাগুলো খুলে দিয়ে আমাদের সাথে তামাশা শুরু করেছে। গণপরিবহন বন্ধ আমরা কিভাবে ঢাকায় যাবো।

ফরিদপুর থেকে আসা আসলাম বলেন, আমি একটা পোশাক কারখানায় চাকরি করি। আমরা যখন ঈদের ছুটিতে যাচ্ছি তখন বলা হয়েছে ঈদের পর লকডাউন আসতে পারে। আমরা যেন লকডাউন শেষ হলে আবার কর্মস্থলে ফিরি। কিন্তু হঠাৎ করেই ঘোষণা দেওয়া হলো ১ তারিখ থেকে কল-কারখানা খুলে দিবে। কঠোর এই লকডাউনের মধ্যে আমরা এখন কোন দিকে যাবো। বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অটোতে করে কোন রকম ঘাটে এসেছি। এখন ফেরি পার হয়ে দেখছি এপারেও কোন পরিবহন নেই। কিভাবে আমাদের বাসা পর্যন্ত পৌঁছাব তাও জানিনা।

আমির হোসেন বলেন, অফিস খোলা শুনে মাদারীপুর থেকে সকালে রওনা দিয়েছি ঢাকায় যাবো। বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় কোন গাড়ি না পেয়ে পায়ে হেঁটেই রওনা দিলাম। ঘাটে এসে কোন রকম ফেরিতে করে নদী পার হয়ে দেখি এপারে কোন গাড়ি নেই। কিভাবে ঢাকায় যাবো বুজতেছি না। প্রায় ৩০-৩৫ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে এসেছি। বাকি পথ কিভাবে যাবো তাও জানিনা।

বৃদ্ধ মালেকা বানু বলেন, আমি ঢাকায় একটি কারখানায় রান্নার কাজ করি। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে স্বজনদের সাথে ঈদ করতে গিয়েছিলাম। কাল ফোন করে বললো আগামীকাল (১ আগস্ট) থেকে কারখানা খুলে দিবে। কোন উপায় না পেয়ে পায়ে হেঁটেই রওনা দিলাম। হাঁটতে হাঁটতে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। পথে কয়েকবার মাথায় পানি দিয়েছি। কিভাবে যাবো বাকিটা আল্লাহ জানে।

বৃদ্ধ মাজহারুল ইসলাম বলেন, সাধারণ জনগণের সাথে এমন প্রতারণা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। রাস্তায় কোন গাড়ি নেই কিভাবে যাবো তাও বুজতেছি না। কারণ লকডাউন ৫ তারিখ পর্যন্ত আর কালকে থেকে কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। একদিক দিয়ে লকডাউন অন্যদিক দিয়ে গাড়ি বন্ধ। এর মধ্যে কল-কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা এখন কিভাবে পৌঁছাবো তাও জানিনা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930