আইন আদালত ডেস্ক :
বাসায় মদ ও মাদক রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণিকে চার দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) আবার আদালতে তোলা হয়। পরীমণির সঙ্গে দেখা করতে তার নানা শামসুল হক গাজী এদিন এসেছিলেন আদালতে। কিন্তু নাতনি পরীমণির সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।
মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) শুনানির সময় আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়েন নায়িকা পরীমণি। মিনিট পাঁচেক তিনি কান্না করেন। পরীমনি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মামলা শতভাগ মিথ্যা। সাংবাদিক, আপনারা কী করছেন?’
রিমান্ড শুনানি চলাকালে পরীমনির আইনজীবী মজিবুর রহমান দাবি করেন, পরীমণির গ্রেপ্তার হওয়ার পর যে পোশাক পরে ছিলেন, আজও সেই পোশাক পরে আছেন। তিনি তাঁর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করার বা কথা বলার কোনো সুযোগ পাননি। এটি একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী।
ডিবি কিংবা সিআইডি কেউই তার জন্য পোশাক গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেন পরীমণির আইনজীবী।
যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিআইডি। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এটা তো ডিফেন্সের কথা। তারা এটা দাবি করতেই পারেন। ডিফেন্স অনেক কথাই বলতে পারে। আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পরীমনিকে এখানে এনেছি। আমাদের এখানে তদন্ত সংশ্লিষ্ট অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা আছেন। আমরা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছি, পরীমনির আইনজীবীর অভিযোগ সত্য নয়।’
উল্লেখ্য, এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পরীমণির ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মামলা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই গত ৪ অগাস্ট তার বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। পরে পরীমণি ও দীপুকে গ্রেপ্তার করে মাদক আইনে মামলা করা হয়।