সাংবাদিকতা মহান পেশা। এই পেশা এখন সাংবাদিকদের মধ্যে কারো কারো নোংরামির কারণে জ্বলে-পুড়ে দগ্ধ হচ্ছে। ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কারণে চলছে একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছোড়াছুড়ি। যা রীতিমত একটি হাস্যকর এবং বেদনদায়ক অবস্থার সৃষ্টি করেছে। অথচ দেশ, সমাজ, মানুষ দাবি করেন আমরা নাকী সমাজের আয়না।
আমি কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে চাইনা। কারো বিরুদ্ধে কলম ব্যবহার করতে চাইনা। এসব নোংরামি পছন্দ করিনা। লক্ষ্মীপুরে ৯০ দশকের পর কোন এলাকায় কখন কোন সন্ত্রাসী বাহিনী কাজ করেছে, কারা এর সাথে জড়িত তা প্রশাসনের পুরনো ফিরিস্ত উল্টালে বিস্তারিত পাওয়া যাবে। হঠাৎ করে কাউকে ঘায়েল করার জন্য কোন একটি ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে বাহিনীর নাম লিখলেই তা মানুষ বিশ্বাস করবে এটি যারা মনে করেন তারা বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন।
নিজের অপকর্মের কারণে কেউ প্রত্যাখ্যাত হলে তার জন্য অন্যকে দায়ী করা নেহায়েত অন্যায় নয় শুধু অপরাধও বটে। সাংবাদিকতা নীতিমালায় ব্যক্তিগত আক্রোশে মিডিয়া ব্যবহার করার সুযোগ নেই। সময় এবং নদীর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করেনা এবং সব সময় সবার অবস্থা খারাপও থাকেনা। একথা সবাইকে মনে রাখতে হবে। আমরা যারা সাংবাদিকতা পেশায় আছি, আমাদের সবার কাছে কাগজ-কলম আছে। এমন নয় যে, আমি লিখতে জানিনা। আমি কাউকে আক্রমন করে লিখতে চাইনা। সময় বলে দিবে আমরা কে কোথায় থেকে এসেছি। কে কোন দলের অনুসারি। কার সামাজিক ও পারিবারিক পরিচয় কী? আল্লাহ আমাদের সুমতি দান করুক। সঠিক সাংবাদিকতা জয় হোক।