
আকাশবার্তা ডেস্ক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে জান্নাতুল ফেরদাউস (১৫) নামে প্রতিবন্ধি এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে আপন ফুফা। গত বুধবার দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ ইউপির পাঁচপাড়া গ্রামের বৌদ্ধ বাড়িতে নিজ বসতঘরে ঘটনাটি ঘটে। ধর্ষিত কিশোরী ওই বাড়ির আমির হোসেনের মেয়ে। তিনি পেশায় টাইল্স মেস্ত্রী হিসেবে চট্টগ্রামে কাজ করেন।
এদিকে ঘটনার ৫দিন অতিবাহিত হলেও লোকলজ্জায় এবং ধর্ষক ফুফা ও তার অনুগতদের হুমকি ধমকিতে থানায় অভিযোগ করেননি ভিকটিমের পরিবার। খবর পেয়ে মঙ্গলবার (২৯ আগষ্ট) দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ ভিকটিম কিশোরী ও তার মাকে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পুলিশ জানায়, ঘটনার ৫দিন অতিবাহিত হওয়ায় এবং শারীরিকভাবে ধর্ষণের আলামত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখনই কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছেনা। তবে ডিএনএ টেষ্টের মাধ্যমে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধর্ষিতার মা’ ফাতেমা বেগম জানান, বুধবার দুপুরে তিনি গৃহস্থালী কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় বসতঘরে প্রতিবন্ধি কিশোরী জান্নাতুল ফেরদাউসকে একা পেয়ে ফুফা খোরশেদ আলম তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় কিশোরীর শোরচিৎকারে বাড়ির অন্যান্যরা ছুটে আসলে ধর্ষক ফুফা খোরশেদ পালিয়ে যায়। ফাতেমা বেগম আরো জানান, বিষয়টি স্থানীয় মেম্বার আব্দুল হামিদকে জানানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক খোরশেদ আলম পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় মেম্বার আব্দুল হামিদ বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভিকটিম পরিবারকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।
এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি মো. মোক্তার হোসেন বলেন, ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধি কিশোরী ও তার মা’কে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে মেডিকেল টেষ্ট না করায় ধর্ষণের আলামত নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ডিএনএ টেষ্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।