
আকাশবার্তা ডেস্ক :
লক্ষ্মীপুরের দিঘলী ইউপির সচিব মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মীর শওকত হোসেন দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে উভয়পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে চেয়ারম্যান শেখ মজিবুর রহমানসহ ৯টি ওয়ার্ডের সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিযুক্ত সচিব মিজানুর রহমান এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সচিবের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পর্কে অনেকের বক্তব্য শোনেন। এ সময় ইউপির সদস্যরা এবং স্থানীয় সমাজসেবক অনেকেই সচিবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য, অর্থ আত্মসাত ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে ধরেন। একজন সদস্য বলেন, এলজিএসপির কাজে ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দকৃত প্রকল্প থেকে সচিব বিধি বহির্ভূতভাবে ২০% কেটে রাখেন। অন্যান্য সদস্যরা অভিযোগ করেন, সচিব মিজানুর রহমান জন্মনিবন্ধন, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাসহ বাল্যবিবাহের জন্য অপ্রাপ্ত বয়সীদের বয়স বাড়িয়ে দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। তার এসব কাজের বিরোধীতা করলে চেয়ারম্যানের সাথে সচিবের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মীর শওকত হোসেন সবার বক্তব্য ধৈর্য্য সহকারের শোনেন। বৈঠকে উত্থাপিত এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন, সচিব মিজানুর রহমান।
চেয়ারম্যান শেখ মজিবুর রহমান জানান, ইউপি সচিবের অনিয়ম, দুর্নীতি তদন্তে সরেজমিনে এডিসি (রাজস্ব) স্যার পরিষদে আসেন। এ সময় তিনি উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন।