নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরধরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে মেয়ে শিশুর একটি আঙ্গুল দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শিশুটির নাম কাজী সুমাইয়া (১১)। সে দত্তপাড়া গ্রামের প্রবাসী হুমায়ুন কবিরের মেয়ে এবং স্থানীয় রামরতন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় সোমবার সকালে প্রতিপক্ষ শিশুটির চাচা কাজী আবু সাইদ ও চাচী রোজিনা বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরআগে রোববার রাতে ওই দুইজনকে আসামি করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন, শিশু সুমাইয়ার মা’ আখি আক্তার তামান্না।
পুলিশ ও মামলার বাদি আখি আক্তার তামান্না জানান, গত ১৪ ফেব্রুয়ারী বুধবার বিকাল ৫টায় পারিবারিক কলহের জেরধরে দেবর আবু সাইদ ও তার স্ত্রী রোজিনা বেগমের সাথে ঝগড়া হয় তামান্নার। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে স্ত্রী রোজিনার সহযোগিতায় দেবর আবু সাইদ তামান্নাকে দা’ দিয়ে কোপ দিলে শিশু সুমাইয়া তার হাত দিয়ে ফেরাতে চেষ্টা করে। এ সময় দায়ের কোপে ঘটনাস্থলে (দত্তপাড়া কাজী বাড়ি) শিশু সুমাইয়ার ডান হাতের একটি আঙ্গুল দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঘটনার পর শিশু সুমাইয়াকে প্রথমে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হলেও তার হাতের আঙ্গুল আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এ ব্যাপারে চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোক্তার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আপন চাচার দায়ের কোপে শিশু সুমাইয়ার ডান হাতের একটি আঙ্গুল পড়ে যায়। বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। অভিযুক্ত চাচা ও চাচীকে মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান ওসি।