আকাশবার্তা ডেস্ক :
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরশাহী গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যানের মদদে ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে কাঁটাতারের প্রাচীর তৈরী করে ১১৭ শতাংশ জমি জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। রোববার (২৯ জানুয়ারী) দুপুরে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানায়, নোয়াখালী টিএন্ডটি কার্য্যালয়ের ওয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাবুল, তার ভাই ফিরোজ আলম ও চাচা সাইফুল ইসলাম চরশাহী গ্রামে পূর্ব পুরুষের মালিকীয় ১১৭ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছিল। ২০১৪ সালে ওই জমিতে মালিকানা দাবি করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলজার মোহাম্মদের বোন জামাই গোলাম রহমান (বর্তমানে মৃত) ও গোলাম কুদ্দুস রাসেলসহ চার ভাই ইউপি কার্য্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে চেয়ারম্যান তাদের পক্ষে রায় দেন। পরে চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে বিবাদি করে ২০১৫ সালের ১৭ আগষ্ট ওই রায়ের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জজ আদালতে মামলা করেন জাহাঙ্গীর আলম বাবুল। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে গোলাম কুদ্দুস রাসেলের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জন ভাড়াটে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী বিরোধকৃত ওই ১১৭ শতাংশ জমিতে কাঁটাতারের প্রাচীর দিয়ে দখলে নেয়। ওই সময় ৬-৭টি গাছ কেটে নিয়ে যায় তারা।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বাবুল জানান, ইউপি চেয়ারম্যান গোলজারের মদদে ও তার আত্মীয় গোলাম কুদ্দুস রাসেলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা তাদের পূর্বপুরুষের দখলীয় সম্পত্তিতে কাঁটাতারের প্রাচীর দিয়ে দখলের চেষ্টা করছে। বর্তমানে স্থানীয় কয়েক সন্ত্রাসীর অব্যাহত হুমকিতে তাদের পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে রয়েছেন।
এ ব্যাপারে গোলাম কুদ্দুস রাসেলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় চরশাহী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলজার মোহাম্মদ জানান, কাঁটাতারের সীমানা প্রাচীর করে জমি দখলে নেওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই। ওইদিন তিনি ঢাকা ছিলেন।