আকাশবার্তা ডেস্ক :
রুবেল আহমেদ জানান, সিঙ্গাপুরে একটি গ্লাস কোম্পানিতে কর্মসূত্রে তার সঙ্গে ফিলিপাইনের নাগরিক তোফাইয়া ইয়াসমিনের পরিচয়। সেই পরিচয় থেকেই তাদের পরিণয়। বিগত চার বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি রুবেল আহমেদ ছুটিতে বাংলাদেশে আসেন। দীর্ঘ প্রায় চার মাস থেকে তাদের মধ্যে দেখা সাক্ষাত না থাকায় প্রেমের টানে তোফাইয়া ইয়াসমিন বাংলাদেশে রুবেল আহমেদের কাছে চলে আসেন।
রুবেল আহমেদ বলেন, ‘তোফাইয়া আমার বাসায় আসার পর পরিবারের লোকজন বিষয়টি শুনে আমাদের সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেয়। আমরা ২৫ মার্চ কুড়িগ্রাম আদালতে এফিডেভিট করার মাধ্যমে বিয়ে করি। বর্তমানে আমরা স্বামী-স্ত্রী এবং বাকি জীবন এক সঙ্গে কাটাতে চাই।’
রুবেলের বাবা বেলাল হোসেন বলেন, ‘আমি কৃষক মানুষ। ছেলের ভালোই আমার ভালো। তারা যেহেতু একজন আর একজনকে পছন্দ করে সেজন্য তাদের সুখের কথা চিন্তা করে আমরা তাদের সম্পর্ক মেনে নিয়ে কোর্টের মাধ্যমে বিয়ে দিয়েছি।’
রুবেলের চাচা ও প্রাক্তন ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক জানান, ২৫ মার্চ রুবেল ও তোফাইয়ার বিয়ের পর বাড়িতে বৌ-ভাতের আয়োজনও করা হয়েছে। এক সপ্তাহ পর নতুন এই দম্পতি আবার সিঙ্গাপুরে তাদের কর্মস্থলে ফিরে যাবেন বলে জানান তিনি।
এএইচ/আমার সংবাদ