লাইফস্টাইল ডেস্ক :
তবে তিনি কয়েকটি শর্তে এই কাজ করেন। যেমন তিনি পুরুষ ক্লায়েন্টের রাতের বিছানায় নিজের পোশাকে যখন শুয়ে থাকবেন, তখন সে ঘরে পুরুষটি থাকতে পারবেন, এমনকী গল্পও চলতে পারে। কিন্তু তাকে একটিবারও ছোঁয়া যাবে না। তবে শর্ত ভাঙার চেষ্টা কেউ কেউ করতেই পারেন, এটা ধরে নিয়েই নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে যান তিনি। তারা বাইরে থাকে। অন্য কিছু হতে দেখলেই ভিক্টোরিয়া সঙ্গে থাকা বিপদ-ঘণ্টি বাজিয়ে দেন। চলে আসে রক্ষীরা।
ভিক্টোরিয়া জানান, তিনি গভীর মনোযোগী শ্রোতা। ক্লায়েন্টরা আজকাল তার কাছে নিজেদের নানা-সমস্যা মন খুলে বলছেন। সার্ভিসের চাহিদা দিনদিন বাড়ছে দেখে তার মতো একদল মেয়েকে নিয়ে টিম তৈরি করছেন ভিক্টোরিয়া। মূলত বর্তমানে তার কাস্টমারের তালিকায় সিঙ্গল পুরুষদের সংখ্যাই বেশি। তবে অনেক নারীও ভিক্টোরিয়ার সেবা নেন। ধীরে ধীরে তাদের সংখ্যা আরো বাড়ছে।
ভিক্টোরিয়া জানান, এক কবি তার নারী টাইপিস্টকে দিয়ে নিজের রাতের বিছানা গরম করাতেন। বিনিময়ে অর্থ দিতেন। এতে নাকি তার লেখার হাত খুলে যেত! এই কাহিনিই নাকি ভিক্টোরিয়ার মাথায় এমন পেশায় নামার আইডিয়া এনে দিয়েছে।
সূত্র : দ্যা সান