নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন বড়বল্লভপুর গ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টাকালে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার বিকালে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন, ভিকটিম ওই ছাত্রীর মা’ বকুল বেগম। এতে প্রধান অভিযুক্ত বিনাকে ১নং আসামি এবং এজাহারনামীয় ৬ জনসহ অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ দিকে মামলা দায়েরের পর বিকালেই মামলার এজাহারনামীয় ২নং আসামি ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রধান আসামি বিনা বসুদুহিতা গ্রামের মো. টিপুর ছেলে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামি ফারুক একই এলাকার ছিদ্দিক উল্যাহর ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, হাজিরপাড়া ইউপির বড়ভল্লবপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের মাদ্রাসা পড়–য়া কন্যা তাসলিমা আক্তারকে মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে উত্ত্যক্ত করে আসছিল বিনাসহ অন্যান্য বখাটেরা। এতে প্রতিবাদ করায় রোববার রাত ৮টার দিকে ওই ছাত্রীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে বখাটেরা। এ সময় বাধা দেওয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীর মা-বাবা, ভাই এবং প্রতিবেশিসহ ৫ জনকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে তারা। পরে রাতেই তাদেরকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর সোমবার বিকালে এজাহারনামী ৬ জন এবং অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জনসহ ১১ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের হয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এজাহারনামীয়সহ ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার ২নং আসামি ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানান।