শুক্রবার ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

“শুধু বিরহের গান গাই, একটু সাহায্য চাই’’

আলী হোসেন, লক্ষ্মীপুর :


পথে পথে ঘুরে ঘুরে বিরহের গান শোনানোই তাঁর পেশা। হাতে হারমোনিয়াম, কাঁধে রাখা একটি পুটলীতে কাঁথা-বালিশ আর মশারী। যেখানে রাত, সেখানেই কাত। এমনই এক পথশিল্পীর সাথে দেখা হলো মঙ্গলবার বিকালে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে। হারমোনিয়ামে লিখে রেখেছেন- শুধু বিরহের গান শোনাই, একটু সাহায্য চাই। এই পথশিল্পীর নাম-দিলীপ কুমার বাছাল। বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়। বয়স প্রায় ৫৫, আছেন স্ত্রী, সন্তানও। এক ছেলে, দুই মেয়ে। বড় মেয়ে গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন।

কথা বলতে বলতে ভারতীয় শিল্পী সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া হৃদয় ছোঁয়া একটি বিরহের গান শোনালেন, গানটির প্রথম দুটি লাইন তুলে ধরা হলো :
মরমিয়া তুমি চলে গেলে দরদী আমার কোথা পাবো, কারে আমি এ ব্যাথা জানাবো। কে বল আর শুনবে এ গান, রাঙিয়ে দেবে আমার এ প্রাণ। শিউলি ফুলের মালা গেঁথে কারে পরাবো……..? কারে আমি এ ব্যাথা জানাবো।

ছবি তুলতে আপত্তি করেননি। তবে পরে যখন জানলেন আমি একজন সংবাদ কর্মী। তখন বললেন, ভাই পত্রিকায় ছবি দিয়েন না। বললাম কেন? উত্তরে বললেন, বড় মেয়েটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েতো। তার সহপাঠীরা দেখলে মেয়েটি শরম পাবে। আমি বললাম শরম পাবে কেন? আপনি একজন শিল্পী। চুরি তো করেন না। আপনি দেখেননি ফেসবুকে রিক্সাচালকের ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করে গায়ের গ্রাউনটি রিক্সাচালক বাবার গায়ে পরিয়ে দিলেন। ছবিটি সারাদেশে ভাইরাল হয়েছে। এটা তো গর্বের। এরপর আর কিছু বলেননি।

এরপর জানালেন, গান শুনে মানুষ যা সাহায্য করেন তা হাসি মুখে গ্রহণ করেন। এতে তাঁর দৈনিক ৪শ’ থেকে কখনও কখনও ৬-৭শ’ টাকা রোজগার হয়। তা’ দিয়ে তাঁর সংসার কোনমতে চলে যায়। তবে রাষ্ট্রিয় পৃষ্টপোষকতা পেলে তিনিও একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পী হতে পারতেন বলে আক্ষেপ করলেন। বললাম শুধু বিরহের গান শোনান কেন? বললেন, বিরহের গান গাইতে তাঁর ভালো লাগে। মানুষ নাকী বিরহের গান শুনতেই বেশি পছন্দ করেন। কারণ, প্রত্যেক মানুষের জীবনে নাকী কোনো না কোনো দুঃখ থাকে।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন : 

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০