বুধবার ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

সাংবাদিক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর মারা গেছেন

আকাশবার্তা ডেস্ক :

না ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশের অন্যতম জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১০ জুলাই) ভোররাতে তিনি ঢাকার গেণ্ডারিয়ার আসগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ছোটভাই।

প্রয়াতের ছেলে অপূর্ব জাহাঙ্গীর তার ফেসবুক পেজে লিখেন, “আমার বাবা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আর নেই। ভোররাত ১২টা ৪০ মিনিটে তিনি চলে গেছেন। আপনারা তার জন্যে দোয়া করবেন।” মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে। আজ (বুধবার) সকালে রাজধানীর শান্তিনগরের কুলসুম টাওয়ারের বাসায় মরদেহ নেয়া হবে। এরপর দাফন ও জানাজার বিষয়ে পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশনের নির্বাহী পরিচালক ও স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন থেকে ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

উল্লেখ্য, নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আপন ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের জন্ম ১৯৫১ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে। তিনি মিডিয়া বিষয়ক একজন লেখক হিসেবে সুপরিচিত।

এছাড়াও রাজনীতি ও বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়ে সংবাদপত্রে নিয়মিত কলাম লিখতেন।

চট্টগ্রাম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ এমএ ও সাংবাদিকতায় এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর ১৯৭০ সালে দৈনিক পাকিস্তানে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন। ১৯৮০ সালে তিনি সক্রিয় সাংবাদিকতা ছেড়ে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ-এ সাংবাদিক প্রশিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন।

তিনি ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) এর মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের খণ্ডকালীন অধ্যাপক ছিলেন।

সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম, রাজনীতি ও অন্যান্য বিষয়ে তার লেখা ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা সাতাশটি।

১৯৯৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মিডিয়া সংস্থা ‘সেন্টার ফর ডেভলপমেন্ট কম্যুনিকেশন’। আমৃত্যু এর নির্বাহী পরিচালক ছিলেন তিনি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১