শনিবার ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

সাংবাদিক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর মারা গেছেন

আকাশবার্তা ডেস্ক :

না ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশের অন্যতম জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১০ জুলাই) ভোররাতে তিনি ঢাকার গেণ্ডারিয়ার আসগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ছোটভাই।

প্রয়াতের ছেলে অপূর্ব জাহাঙ্গীর তার ফেসবুক পেজে লিখেন, “আমার বাবা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আর নেই। ভোররাত ১২টা ৪০ মিনিটে তিনি চলে গেছেন। আপনারা তার জন্যে দোয়া করবেন।” মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়েছে। আজ (বুধবার) সকালে রাজধানীর শান্তিনগরের কুলসুম টাওয়ারের বাসায় মরদেহ নেয়া হবে। এরপর দাফন ও জানাজার বিষয়ে পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশনের নির্বাহী পরিচালক ও স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন থেকে ক্যান্সারে ভুগছিলেন।

উল্লেখ্য, নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আপন ছোট ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের জন্ম ১৯৫১ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে। তিনি মিডিয়া বিষয়ক একজন লেখক হিসেবে সুপরিচিত।

এছাড়াও রাজনীতি ও বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়ে সংবাদপত্রে নিয়মিত কলাম লিখতেন।

চট্টগ্রাম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ এমএ ও সাংবাদিকতায় এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর ১৯৭০ সালে দৈনিক পাকিস্তানে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন। ১৯৮০ সালে তিনি সক্রিয় সাংবাদিকতা ছেড়ে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ-এ সাংবাদিক প্রশিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন।

তিনি ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) এর মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের খণ্ডকালীন অধ্যাপক ছিলেন।

সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম, রাজনীতি ও অন্যান্য বিষয়ে তার লেখা ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা সাতাশটি।

১৯৯৫ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মিডিয়া সংস্থা ‘সেন্টার ফর ডেভলপমেন্ট কম্যুনিকেশন’। আমৃত্যু এর নির্বাহী পরিচালক ছিলেন তিনি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮