শুক্রবার ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

৪ শিশু সন্তানই বড্ড একা হয়ে গেলো

আকাশবার্তা ডেস্ক :

ভালো-মন্দ বুঝে ওঠার আগেই বাবা-মাকে হারিয়ে এতিম হয়ে গেছে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত কৃষক দম্পতির ৪ শিশু সন্তান। এর মধ্যে তিন সন্তান এখনো বুঝে উঠতে পারেনি, যে তাদের বাবা-মা আর ফিরে আসবে না। তবে পরিবারের বড় ছেলে মাত্র ১১ বছর বয়সী রবিন বাবা-মা হারানোর শোকে কেঁদেই চলছে।

স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে এই চার সন্তানের ভবিষ্যত কী হবে? কে তাদের দেখভাল করবে আর বেঁচে থাকার চাহিদা মেটাবে কে?

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের রমজানকাঠী গ্রামের মৃত রজ্জব আলী হাওলাদারের ছোট ছেলে কামাল হাওলাদার দারিদ্রতার মধ্য দিয়েও চার সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। নিজের কোনো সহায়-সম্পত্তি না থাকলেও অন্যের জমিতে চাষাবাদ, আর ভ্যানগাড়ি চালিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করে আসছিলেন। আর গত বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান কামাল হোসেন (৪০) ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগম (৩৫)।

বাড়ির পাশের লোকজন ও স্বজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, বাড়ির পাশের পাটক্ষেতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়েছিল।যা কেউই জানতো না। সেই ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে প্রথমে মমতাজ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এ দৃশ্য দেখার পর তাকে উদ্ধারে যান স্বামী কামাল। যদিও এর আগে সন্তানদের সেখানে যেতে বারণ করে গিয়েছিলেন তিনি। উদ্ধারে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কামালও মারা যান।

স্থানীয়রা আরও জানান, পরে যদিও কামাল ও তার স্ত্রী মমতাজকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী উপজেলা উজিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে পৌঁছানোর পরই চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে কৃষক দম্পতির মৃত্যুর খবর দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। যা শুনে আশপাশের লোকজন ছাড়াও পাশের গ্রামগুলোর মানুষ মৃত কামাল ও মমতাজের বাড়িতে ছুটে আসেন। আর গত ২দিন ধরে এই কৃষক দম্পতির মৃত্যুর খবর পেয়ে যারা শোকাচ্ছন্ন বাড়িটিতে আসছেন তারা সবাই এতিম চার শিশুকে একনজর দেখে যাচ্ছেন। এই শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত পড়েছেন তারা।

রমজানকাঠী গ্রামের বাসিন্দা চান্দু মোল্লা বলেন, এভাবে মা-বাবার একসঙ্গে মৃত্যু হবে, আর এতো অল্প বয়সে সন্তানগুলো বাবা-মাকে হারাবে তা গ্রামের কেউ কখনো ভাবেনি। এখনো অনেকে বিশ্বাস করতে পারছে না। চার শিশু সন্তানই বড্ড একা হয়ে গেলো। বাবা-মাকে হারিয়ে ওদের আর কেউ রইলো না। অনিশ্চয়তার পথে ওদের আগামীর ভবিষ্যত।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১