আকাশবার্তা ডেস্ক :
নড়াইলের কালিয়ার সেই সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের পিওন আসামী মো: তরিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মিসেস নাসরিন বেগমের নামে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ‘অসামজ্ঞস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং’ দায়ে দুদক মামলা হয়েছে।
আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, গত মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) যশোর বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত নড়াইল এর অধিক্ষেত্রাধীনে একটি মামলা করেন মামলার তদন্তকারি দুদক কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম মোড়ল। মামলা নং-১/২০১৯।
মো: তরিকুল ইসলাম, নড়াইলের কালিয়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাবেক অফিস সহায়ক, বর্তমানে নড়াইল সদর সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক। সে নড়াইলের নড়াগাতী থানার গাছবাড়িয়া গ্রামের শাহাদাৎ মুন্সির ছেলে। মামলায় উল্লেখ্য করা হয়েছে, আসামী মো: তরিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মিসেস নাসরিন বেগম কর্তৃক পরস্পরের সহায়তায় ১৬,৫২,৪৩৩.০০ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসামজ্ঞস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন করে স্থানান্তর, রূপান্তর করে এবং তা দুদককে গোপন করে দখলে রাখার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২), ২৭(১) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ (২) ধারাসহ দঃ বিঃ ১০৯ ধারায় আপনার কার্যালয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত, নড়াইল এর অধিক্ষেত্রাধীনে এ মামলা হয়।
উল্লেখ্য, তরিকুল ইসলাম ২০০১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নড়াইল জেলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে নাইটগার্ড পদে যোগদান করেন। এরপর ২০০৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী স্কেলে পিয়ন পদে পদোন্নতি পান। একই পদে ২০০৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি নড়াইলের কালিয়ায় বদলী হন। নড়াইলের কালিয়া অফিসে যোগদানের পর থেকেই শুরু হয় তরিকুলের অবৈধ আয় বাণিজ্য।