আকাশবার্তা ডেস্ক :
রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভবাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী ছোটন দেওয়ানজির ছেলে প্রান্ত দেওয়ানজি হিমেল (১৮) এবং চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক এলাকার শহীদ তালুকদারের কন্যা তাহফিমা খানম তিন্নি (১৮)।
হিমেল ঢাকার ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আর তিন্নি রাঙ্গামাটি লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ছেলের বাসা রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভবাজার এলাকায় আর মেয়েটি রাঙ্গামাটিতে এক আত্মীয়ের বাসায় থেকে পড়াশোনা করছিল।
সুত্রে জানা গেছে, “ফেসবুকে একটি ঘোষণা দিয়েই আত্মহত্যা করে দুইজন। প্রেমের কারণেই এটি ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। দুজন দুই ধর্মের হওয়ায় প্রেমে সফলতার কোনো সম্ভাবনা নেই দেখেই তারা আবেগতাড়িত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
হিমেলের বাবা ছোটন দেওয়ানজি বলেন, “তারা দুজন প্রেমের কারণেই আত্মহত্যা করেছে বলেই মনে হচ্ছে। আমরা আসলে কিছুই জানতাম না। ভেবেছিলাম কোনো কারণে ছেলে নিখোঁজ হয়েছে। কিন্তু কেন এটা করল বুঝতে পারছি না।”
অন্যদিকে, মেয়েটি তার যে স্বজনের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতেন সেই নুরুল আলম মিয়া বলেন, “আমরা আসলে কিছুই বুঝতে পারছি না। সে আমার বাসায় থেকে পড়াশোনা করত। কিন্তু কিসের মধ্যে কী হলো কিছুই বুঝতে পারছি না।”
রাঙ্গামাটির কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের ভাসমান অবস্থায় হিমেল ও তিন্নির উদ্ধার করা হয়েছে। হ্রদে দুই লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে প্রথমে মেয়েটির এবং পরে ছেলেটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এই বিষয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে।”