মঙ্গলবার ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শিকলে বন্দি প্রেমিকা

আকাশবার্তা ডেস্ক :

নাম তার হাফসা আক্তার। বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার লেমুয়া গ্রামের আবুল হোসেনের মেয়ে সে। স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়।

প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ভয়ে হাফসা আক্তার নামে ১৭ বছরের এক কিশোরীকে তিনদিন ধরে শিকল দিয়ে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করেছেন নানি, খালা ও মামা।

ঘটনটি বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাইজোড়া গ্রামে। এরপর গতকাল বুধবার বিকেলে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিবারের লোকজন তার শিকল খুলে দেয়।

নির্যাতনের শিকার কিশোরীর অভিযোগ, ‘স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরিবারের লোকজন আমাদের সম্পর্ক মানছে না। গত রোববার ওই যুবকের সঙ্গে ঘর ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নিই।

পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান আমাদের বিয়ে পড়ানোর আশ্বাস দিলে পালানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করি আমি। আমার মা-বাবা এলাকায় না থাকায় আমাকে দক্ষিণ ভাইজোড়া গ্রামের নানি হাসিনা বেগম ও খালা হনুফা বেগমের জিম্মায় দেন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান।

কিন্তু যাদের জিম্মায় আমাকে রাখা হয় তারা আমাকে বেঁধে রাখে। গত রোববার থেকে বুধবার পর্যন্ত গরু বাঁধার শিকল দিয়ে বেঁধে রেখে আমাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে তারা। পরে স্থানীয় সাংবাদিকরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এলে আমার পায়ের শিকল খুলে দেয়া হয়।’

এ বিষয়ে নির্যাতিত কিশোরীর মা নূরজাহান বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ে এখনো অবুঝ। আমার মেয়ে যে ছেলেটিকে পছন্দ করে ওই ছেলেটি মাদক মামলার আসামি। আগে একটি বিয়ে করেছে সে। তাই ওই ছেলের সঙ্গে আমার মেয়েকে কিছুতেই বিয়ে দেব না। তাতে যদি মেয়েকে কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিতে হয়, তাই দেব।’

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডৌয়াতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান বলেন, মেয়েটি অপ্রাপ্তবয়স্ক। মাদক মামলার আসামির সঙ্গে ঘর ছেড়ে পালাতে চেয়েছিল মেয়েটি। তাকে উদ্ধার করে নানি ও খালার জিম্মায় দিয়েছি। পরে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখে তারা। এমন কাজটি করা তাদের ঠিক হয়নি।

বামনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মাসুদ্দুজ্জামান বলেন, বিষয়টি এখন পর্যন্ত আমাকে কেউ জানায়নি। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০