বিশেষ প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরে আদম বেপারী ভাগিনার বিরুদ্ধে ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন মামা মোঃ ফারুক। বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট চন্দ্রগঞ্জ আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। বিজ্ঞ বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য ওসি চন্দ্রগঞ্জ থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্যাহপুর ইউপির আইয়ুবপুর গ্রামের তরিক উল্যার ছেলে রুবেলের (সম্পর্কে ভাগিনা) প্রস্তাবে রাজি হয়ে পার্শ্ববর্তী আলাইয়ারপুর ইউপির ভবভদ্রী গ্রামের মমিন উল্যার ছেলে মো. ফারুক (মামা) বছরখানেক সৌদি আরব যায়। বিদেশ যাওয়ার আগে কথা ছিল ভালো ভিসায় ও ভালো বেতনে চাকুরি দিবেন। ভাগিনা রুবেলের এমন প্রস্তাবে রাজি হয়ে ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে ৬ লক্ষ ৩০ হাজার দিয়ে সৌদি আরবে যায় মামা মোঃ ফারুক।
সৌদি আরবে যাওয়ার পর সেখানে ফারুককে কোনো কাজ-কর্ম এবং আকামা না দিয়ে বিগত ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারী তারিখে ফারুককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে আদম বেপারী ভাগিনা রুবেল গংদের সাথে মামা ফারুকের পাওনা টাকার বিষয়ে তাগাদা দিলে ভাগিনা রুবেল ও তার সহযোগী একই বাড়ির (আইয়ুবপুর মুন্সীকাজী বাড়ি) মমিন উল্যার ছেলে খোরশেদ আলম ও আলম নামে আরো একজনসহ ওরা ৩জন পাওনা টাকা দিবো দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে মামা ফারুক টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে ভাগিনা রুবেল গংরা ফারুককে টাকা দিবেনা বলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এতে নিরুপায় হয়ে ভূক্তভোগি ফারুক আদালতে মামলা দায়ের করেন।
ভূক্তভোগি ফারুক জানায়, ভাগিনা রুবেল টাকা না দিয়ে ও নিজ এলাকায় বসবাস না করে চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন এবং চন্দ্রগঞ্জ নিউ মার্কেটের দ্বিতীয়তলায় রূপ-অপরূপ বস্ত্রালয় নামীয় কাপড়ের দোকান দিয়ে ব্যবসা করেন।