নিজস্ব প্রতিবেদক :
আদালতে দায়েরকৃত মামলার রায়ে বার বার মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পরও প্রতিপক্ষকে হয়রানি এবং তাদের জমি জবরদখলে রাখার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগি লক্ষ্মীপুর সদরের হাজিরপাড়া ইউনিয়নের পূর্বআলাদাদপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে ওবায়েদুর রহমান আবু ও তার পরিবার।
ওবায়েদুর রহমান অভিযোগ করেন, পূর্বআলাদাদপুর গ্রামের শফি উল্যার ছেলে মোঃ তারেক হোসেন তার প্রতিবন্ধী বোনকে পুঁজি করে সাংবাদিকদের কাছে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমাদের বিরুদ্ধে তাদের বসতভিটা জবরদখলের যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কারণ, তারা আমাদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত আদালতে যতগুলো মামলা দায়ের করেছেন, প্রত্যেকটি মামলার রায়ে তারা পরাজিত হন এবং আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, আদালতে দায়েরকৃত সি.আর-১০০/১৭ইং মামলায় বিগত ২২ জানুয়ারী/১৯ তারিখে এই মামলার রায়ে আমাদেরকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত। উক্ত মামলায় আমাদের বিরুদ্ধে পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ আনা হয়েছিল। অথচ ওই পুকুরে আমাদের মালিকানা অংশিদারিত্ব আছে।
অন্যদিকে সি.আর ৩৭৭/১৯ মামলায় আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত বিগত ২২ জুলাই/১৯ তারিখে ১৪৪ধারা আদেশ প্রত্যাহার পূর্বক অভিযোগটি খারিজ করে দেন। একই অভিযোগে হাজিরপাড়া ইউপি আদালতেও আমাদের পক্ষে রায় প্রদান করেন গ্রাম আদালত। বার বার আদালতে হেরে গিয়ে এখন প্রতিবন্ধী বোনকে পুঁজি করে বিভিন্নস্থানে আমাদেরকে হয়রানি করছেন শফি উল্যা গং।
ভুক্তভোগি ওবায়েদুর রহমান জানান, চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন সাবেক ১৪৪নং হালে ১৪৮নং পূর্ব আলাদাদপুর মৌজার ৫নং তৌজির আর.এস ১০৯৬নং খতিয়ানভূক্ত সাবেক ৮৩৭ দাগে হালে ২৫৩৯ দাগে এক একর ৫২ শতাংশ ভূমি রয়েছে। উক্ত ভূমিতে আমার পিতা সিরাজুল ইসলাম পুকুরের অংশসহ ৩৩ শতাংশ জমির মালিক হন। কিন্তু আমাদের দখলে আছে মাত্র ১৯ শতাংশ। বাকী ১৪ শতাংশ ভূমি জবরদখল করে রেখেছেন শফি উল্যা গংরা। ওই জমি জবরদখলে রাখতে এখন আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্নস্থানে মিথ্যা অভিযোগ করছেন শফি উল্যার ছেলে তারেক হোসেনসহ অন্যান্যরা। অপরদিকে পুকুরের মাছ বিক্রির টাকা বাড়ির সকল অংশিদারদের বঞ্চিত করে আত্মসাৎ করেছেন শফি উল্যা ও ইসমাইল হোসেন গং।
এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে মনির হোসেন সুমনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে উক্ত অভিযোগের প্রতিবাদ করেছেন তিনি। মনির হোসেন সুমন বলেন, ওবায়েদুর রহমান সম্পর্কে আমার আপন ফুফাতো ভাই হয়। আত্মীয়তার কারণে আমি তাদের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছি। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ শফি উল্যা গংরা আমার ফুফুদের সম্পত্তি জবরদখল করে রেখেছেন এবং পুকুরের মাছ বিক্রি করে তাদের পাওনা টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তাই আমি এর প্রতিবাদ করেছি।