আকাশবার্তা ডেস্ক :
জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার নিশ্চিতা তারাকুল গ্রামের আব্দুর রশিদের চার সন্তানের মধ্যে ২ ছেলে, সাজু মিয়া ও সিজু মিয়া এবং ২ মেয়ে জাকিয়া সুলতানা ও রাজিয়া সুলতানা।
বাবা আব্দুর রশিদ ছোট মেয়ে রাজিয়া সুলতানাকে জয়পুরহাট বিশ্বাস পাড়ার মৃত বাবুল হোসেনের ছেলে মো. মজনু হোসেনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে দেন।
মজনু হোসেন বর্তমানে জয়পুরহাট পৌরসভার একজন পিয়ন। সে জানত না তার স্ত্রী রাজিয়ার সাথে তার আপন বড় ভাই সিজু হোসেনের সঙ্গে ছিল অবৈধ সম্পর্ক।
রাজিয়ার ২ ছেলে রিয়াদ হাসান (১০) ও রাকিবুল হাসান (৭) মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। তাদের ছেড়ে রাজিয়া তার আপন বড় ভাই সিজু হোসেনের সাথে ১৪ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে প্রেমের টানে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
এদিকে স্বামী মজনু মিয়া পাগলের মতো খুঁজতে থাকে তার স্ত্রী রাজিয়াকে। এক পর্যায়ে মজনু মিয়া শিবগঞ্জের ভাইয়েরপুকুর এলাকায় সৈয়দপুর গ্রামে মৃত কাবেজের ছেলে বাবলু মিয়ার বাড়িতে তাদের সন্ধান পান।
রাজিয়ার বাবা আব্দুর রশিদ বলেন, তারা উভয়ে শিবগঞ্জের ময়দানহাটা ইউপির কাজী মাহফুজার রহমানের কাছে উপস্থিত হয়ে ২লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্যে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বর্তমানে তারা কিচক ইউপির হরিপুর গ্রামে অবস্থান নিয়েছে।
পিতা আব্দুর রশিদ বলেন, আমি আমার দ্বিতীয় মেয়ে রাজিয়াকে পারিবারিকভাবে ত্যাজ্য করলাম।