বুধবার ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ

গভীর রাত পর্যন্ত চা বিক্রি করে জিপিএ-৫ পেলো বিশাল

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চা বিক্রি করে জিপিএ-৫ পেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহেরা গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিশাল।

বিশালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফল বিবরণী থেকে জানা যায়, সে ছয়টি বিষয়ের প্রতিটিতেই এ প্লাস পেয়েছে। বাংলায় ৮৫, ইংরেজিতে ৮৭, গণিতে ৮০, সমাজবিজ্ঞানে ৯০, সাধারণ বিজ্ঞানে ৯১ ও ধর্মে ৯৬ নম্বর।

সাহেরা গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন খান জানান, বিশাল ছেলেটি খুব মেধাবী ও পরিশ্রমী। পরিশ্রম করে বাবার সঙ্গে কাজ করে এতদূর এসেছে ছেলেটি। দারিদ্র্যতা তাকে আটকে রাখতে পারেনি। সে জীবনে অনেক ভালো করবে।

জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের পাশে বউবাজার এলাকায় ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। যেখানে বাবাকে বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সময় দেয় বিশাল মিয়া। সুযোগ পেলে দিনেরবেলা কিংবা দোকান থেকে ফেরার পর একটু পড়ত।

বিশালের বাবা মো. লিয়াকত মিয়া জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামে। থাকেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের মৌড়াইল এলাকায়। স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সংসার।

বাড়িভাড়া, তিন সন্তানের পড়াশোনার খরচসহ অন্যান্য সাংসারিক ব্যয় মেটানো হয় চা বিক্রির আয় থেকে। আগে বড় ছেলে ইভান দোকানে থাকত। কয়েক বছর ধরে সঙ্গে থাকে বিশাল।

তিনি জানান, বড় ছেলে ইভান মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের ইসলামপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র। মেয়ে তারিন আক্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

বিশাল মিয়া জানায়, মা কুলসুম বেগম স্কুলে আসা-যাওয়া ও পড়ালেখার ব্যাপারে বেশি উৎসাহ দেন। এ ছাড়া স্কুলের সব শিক্ষকও উৎসাহ জুগিয়েছেন ও সহযোগিতা করেছেন। প্রায় চার বছর ধরেই তার বাবার সঙ্গে এই কাজে সহযোগিতা করে আসছে। রাত ১১-১২টা পর্যন্ত চলে তাদের দোকানে চা বিক্রি।

দোকান থেকে মালামাল আনা, চা বানানো, ক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা রাখাসহ সব কাজই করে সে। ফল পাওয়ায় সে বেশ খুশি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০