শনিবার ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

‘মসজিদ লকডাউনের আওতায় আনা উচিত’

ইসলাম ডেস্ক :

জামেয়া রাহমানিয়া দারুল ইসলামের প্রিন্সিপাল ও বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের খতিব মুফতি ওযায়ের আমীন বলেন, বাংলাদেশের মসজিদসমূহ লকডাউনের আওতায় আনা উচিত। প্রতিকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সরকার এর দায় এড়াতে পারবে না।

বর্তমানে মক্কা মদিনাসহ সারা বিশ্বের প্রায় সব মসজিদ লকডাউনের আওতায়। ইমাম মোয়াজ্জেন খাদেমসহ সীমিত কয়েকজন জামাত কায়েম করেন। সব মুসল্লী নিজ নিজ গৃহে নামাজ পড়ছেন। এমতাবস্থায় কেবল বাংলাদেশ ব্যতিক্রম। মসজিদে মুসল্লী বৃদ্ধি পেয়েছে। যা করোনাভাইরাস বিস্তারে সহায়ক মনে করা হচ্ছে।

প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এর দায় কার? কেউ বলছেন, এর দায় ইমামদের। ইমামগণ তাদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য মুসল্লীদের ভীর জমাচ্ছেন। ইমামগণ ধর্মীয় জ্ঞানে বিশেষজ্ঞ হলেও সমকালিন বিষয়ে অজ্ঞ। তাই তারা লকডাউনেও মসজিদে লোকসমাগম করাচ্ছেন।

ইমামগণ বলেন, আমরা মুসল্লিগণকে মসজিদে না এসে নামাজ বাসাবাড়িতে পড়ার জন্য যতই বলছি ততোই উল্টো ফলাফল প্রকাশ পাচ্ছে। ফাকা হয়ে দাঁড়াতে বললে তারা আরো মিলেমিশে দাঁড়ায়। বরং ক্ষেত্রবিশেষ উল্টো মন্তব্য করে, ইমাম সাহেবের আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল কম। এছাড়া মসজিদ কমিটি শাসিত। কমিটির যত জন তত মত। ইমামের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের ভাবে মনে হচ্ছে, ওলামায়ে কেরামের অনুমোদনেরর অভাবে সরকার মসজিদকে লকডাউনের আওতায় আনতে পারছেন না। আসলে বাস্তবতা কী? দেশের কোন সিদ্ধান্তটা ওলামায়ে কেরামের অনুমোদনের জন্য পরে থাকে? আমরা তো দেখি ওলামায়ে কেরামের বিরোধিতার পরও অনেক সিদ্ধান্ত সরকার নিয়ে থাকেন।

যেখানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলে দিয়েছে মসজিদে সীমিত আকারে সংক্ষিপ্তভাবে জামাত চলবে। সাধারন মুসল্লিগণ নিজ গৃহে নামাজ পড়বেন। কিন্তু সীমিতকরণের সুস্পষ্ট কোন ব্যখ্যা নেই। যার কারণে সীমিতকরণের অনুরোধ জানানোর পর মসজিদে মৌসমী মুসল্লীর সংখ্যা আরো বাড়ছে। সীমিত হচ্ছে না কেন? এ ব্যপারে ফাউন্ডেশনের বক্তব্য কি? অথবা এর জন্য সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেন?

সৌদি আরব সহ সাড়া বিশ্বের মসজিদসমূহে সাধারণের গমনে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যেসব দেশে মসজিদকে লক ডাউন করা হয়েছে সেখানেকি ইমামদের পক্ষ থেকে হয়েছে? নাকি সরকারের পক্ষ থেকে হয়েছে? অবস্যই সরকারের পক্ষ থেকে হয়েছে। তাহলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইমামদের কেন দায় হবে? সরকার কেন সিদ্ধান্ত নিবে না? কোন অবস্থায় সরকার এর দায় এড়াতে পারবে না।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও যুগসচেতন ওলামাদের সমন্বয়ে বোর্ড গঠন করুন। করোনা ভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের পূর্বে যথাযথসিদ্ধান্ত নিন, বাস্তবায়ন করুন। সচেতন ইমাম ও মুসল্লি সমাজ আবেগমুক্ত ন্যায় সঙ্গত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮