মো. ফয়েজ, কমলনগর :
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশ সরকারও গত ২৬ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি জনগণকে নিরাপত্তা ও করোনা সংক্রমন রোধে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাইরে না যেতে এবং সামাজিক দূরত্ত্ব বজায় রেখে চলার নির্দেশনা দিলেও কমলনগর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাটবাজারে ও গ্রামগঞ্জের লোকজন তা মানছে না।
উপজেলার হাজির হাট, চর লরেঞ্চ, করইতোলা, তোরাবগঞ্জ, করুনানগর বাজার ঘুরে দেখা যায়, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিনিয়ত জনগণের মাঝে মাইকিং ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন প্রচার প্রচারনা চালিয়ে গেলেও প্রতিফলন নেই সর্বসাধারণের মাঝে ।
উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি গ্রামাঞ্চলের হাট বাজার, গুরুত্বপূর্ন মোড়সহ বিভিন্নস্থানে অহেতুক জটলা পাকিয়ে চষে বেড়াচ্ছে মানুষ । অপরদিকে ঢাকা থেকে আসা বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিকরা বাড়িতে থাকার নির্দেশনা থাকলেও তা অমান্য করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
হাজির হাট বাজারের ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন বলেন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা টহল দিয়ে চলে যাওয়ার পরপরই লোকজন সমবেত হচ্ছেন।
কমলনগর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন বিপ্লব বলেন, করোনার সংক্রমন সম্পর্কে গ্রামের সাধারণ মানুষ বোঝে না। তাই ভাইরাসের ভয়াবহতা তাদের বুঝাতে পারলেই জনসমাগম কমতে পারে।
কমলনগর থানার ওসি নুরুল আফছার বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে। মোটরসাইকেল নিয়ে প্রতিনিয়ত টহল দিচ্ছে। কিন্তু পুলিশ চলে আসার পর পুনরায় জমায়েত হচ্ছে। মানুষ সচেতন না হলে পুলিশের পক্ষে একা কি করা সম্ভব?
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোবারক হোসেন বলেন, সরকারের নির্দেশনা সবাইকে মানতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হতেও নিষেধ করেন তিনি।