ওই শিক্ষকের স্ত্রী ( প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক) স্বামীর পরকীয়ার ঘটনা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আগেই জানিয়েছিলেন প্রবাসী সাঈদ খানকে। তিনি গত পনের-ষোল দিন আগে বিদেশ থেকে বাড়ি এসেছেন বলে সদর থানার ওসি মাসুমুর রহমান বিশ্বাস নিশ্চিত করেন।
সাঈদ খান বাড়ি আসার পর শিক্ষকের স্ত্রী তাকে জানান শুক্রবার রাতের কোনো একসময় তার স্বামী আবারো তার স্ত্রীর কাছে যাবেন। এ কথা জানার পর সাঈদ খান তাকে ধরার জন্য ওঁত পেতে থেকে রাত ১০টার দিকে তাকে স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে মারধর করেন।
এ খবর পেয়ে পুলিশ শিক্ষককে রাত ১১টায় সাঈদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে সাঈদ খানকে পুলিশ আটক করে।
শিক্ষকের ওপর হামলার বিষয়টি জানতে চাইলে শিক্ষক সন্তোষ এ প্রতিনিধিকে বলেন সাঈদ সন্দেহ করে দলবল নিয়ে আমাকে পিটিয়েছে। তিনি হাসপাতালে সারা রাত চিকিৎসাধীন ছিলেন জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘দাদা পজেটিভ লেইখেন।’
জানা গেছে সাঈদ খানের স্ত্রীও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। সন্তোষ কুমার মজুমদার জেলার নাজিরপুর উপজেলার যুগিয়া গ্রামের অবনি কুমার মজুমদারের ছেলে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি মাসুমুর রহমান বিশ্বাস জানিয়েছেন, শনিবার দুপুরে শিক্ষক সন্তোষ কুমার থানায় লিখিত দিয়ে গেছেন, তাকে মারধরের ঘটনায় কারো বিরুদ্ধে মামলা করবেন না।