বৃহস্পতিবার ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

এক ছাদের নীচে মসজিদ, গির্জা আর সিনাগগ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য জার্মানির বার্লিনে হতে যাওয়া একক উপাসনালয়কে নাম দেয়া হয়েছে ‘হাউজ অব ওয়ান’। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে ২০২১ সালেই এর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক দশক ধরে তিন একেশ্বরবাদী ধর্মের প্রতিনিধিরা এই একক উপাসনালয় নির্মাণ নিয়ে আলোচনা করছেন। এখন অবশেষে তা দেখতে যাচ্ছে আলোর মুখ।

দুই মাসের মধ্যে ২০২১ সালের জানুয়ারিতেই বার্লিনের পুরনো শহরের ঠিক মাঝখানে এই ভবনটি নির্মাণের জন্য মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু হবে, এমনটিই জানিয়েছেন হাউজ অব ওয়ান ফাউন্ডেশনের প্রশাসনিক পরিচালক রোলান্ড স্টোলটে। এই প্রকল্প গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি কারণে পিছিয়ে যায়। সবশেষ করোনা মহামারির কারণে আবারও পেছানো হয় নির্মাণ কাজ।

ভবনটি নির্মাণে ২০ সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ডের প্রধান হিসেবে রয়েছেন বার্লিনের মেয়র মিকায়েল ম্যুলার। তিন ধর্মের প্রতিনিধি ছাড়াও এই বোর্ডে হামবোল্ডট ফোরামের মহাপরিচালক, ইহুদি জাদুঘরের পরিচালক, জার্মান থিয়েটারের পরিচালক, প্রুশিয়ান কালচারাল হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্টও রয়েছেন। সংস্কৃতি ও ধর্মের মেলবন্ধন হিসেবে এই ভবনটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিবে বলে মনে করছেন তারা।

যে স্থানটিকে এই ভবন নির্মাণের জন্য বাছাই করা হয়েছে, সেখানে ৭০০ বছর ধরে পেট্রিকির্শে নামের একটি গির্জা ছিল। সেটি ধ্বংস হওয়ার পর জায়গাটি খালিই পড়ে রয়েছে। এবার গির্জার স্থানেই তিন ধর্মের এক উপাসনালয় নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

একটি কেন্দ্রীয় বৈঠকখানার চারপাশ জুড়ে থাকবে মসজিদ, গির্জা ও সিনাগগ। ৪০ মিটার উঁচু এ ভবনটি নির্মাণে ৪৩ দশমিক পাঁচ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ৪৩২ কোটি টাকা খরচ হবে।

প্রোটেস্ট্যান্ট যাজক গ্রেগর হোব্যার্গ, রাব্বি টোফিয়া বেন-চোরিন ও ইমাম কাদির সানচির যৌথ উদ্যোগে পরিকল্পনাটি গ্রহণ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে সানচি বলেন, তিন ধর্মের চলার পথ আলাদা হলেও লক্ষ্য একই। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তিন ধর্মের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলা এর অন্যতম একটি উদ্দেশ্য।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১