রামগঞ্জ প্রতিনিধি :
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পূর্ব বিঘা গ্রামের মহরম বেপারী বাড়ির সোহেলের বিরুদ্ধে যৌতুকের টাকা না দেয়ায় গৃহবধূ শ্যামলী আক্তারের উপর পাশবিক নির্যাতণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় শ্যামলী আক্তার বাদি হয়ে গত ৩১ মে বুধবার লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞ আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতণ দমন ট্রাইব্যুনালে সোহেলসহ তার পরিবারের আরো ৪ জনকে আসামি করে মামলা রুজু করা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, সোহেল হোসেনের সাথে ভাদুর ইউপির উত্তর গ্রামের সৌদি প্রবাসি বিলাল হোসেনের মেয়ের সাথে ৫ বছর আগে বিয়ে হয়। শ্যামলী আক্তার ও সোহেল সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই বোন। বিয়ের পরই শ্যামলীর বাবা বিলাল হোসেনের ৫ লাখ টাকা খরচে সোহেলকে সৌদি আরবে নিয়ে যান। বিদেশে ৩ বছর চাকুরী করে অসুস্থতার অজুহাতে সোহেল দেশে চলে আসেন। এরপর স্ত্রীকে একাধিকবার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতণ করে বাড়ি নির্মাণে হাওলাত বাবত ৬ লাখ টাকা যৌতুক দেওয়া হয়। বাড়ি নির্মাণে নতুন ভবন সংস্কার বাবদ আরো ২ লাখ টাকা দাবি করে সোহেল। ওই টাকা না দেওয়ায় সোহেল হোসেনসহ ছোট ভাই রুবেল, ভগ্নিপতি শামীম ও মা’ রানী বেগম শ্যামলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রক্তাক্ত জখম ও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে।
শ্যামলীর বাবা বিলাল হোসেন জানান, সোহেল তার মেজ বোনের ঘরের ভাগিনা। ওই সুবাদে তিনি সোহেলকে বিভিন্ন সময় প্রায় ৯ লাখ টাকা দেন। শ্যামলীর সংসারে দুই বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মহসিন চৌধুরী জানান, শ্যামলী ও সোহেল মামাতো-ফুফাত ভাই বোন। দুইপক্ষের মধ্যে বিষয়টি সমঝোতার করার চেষ্টা করছি।