পুলিশ জানিয়েছে, নারীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে তা বাজারে ছাড়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আলম মিয়ার বিরুদ্ধে।
এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আলম মিয়া প্রায় চার বছর ধরে শহরের সাতপাই রেলক্রসিং এলাকায় ‘আইকন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালান। সেখানে প্রশিক্ষণ নিতে আসা নারীদের প্রথমে তিনি প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। একপর্যায়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে গোপন ক্যামেরায় তা ভিডিও ধারণ করতেন। এরপর তিনি ওই ভিডিও বাজারে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে।
নেত্রকোনা মডেল থানা সূত্র জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মডেল থানা-পুলিশ ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। এ সময় একটি কম্পিউটার, একটি মুঠোফোন এবং তিনটি সিডি জব্দ করা হয়। থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল আমীন বাদী হয়ে ওই দিন রাতেই তাঁর বিরুদ্ধে ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। তাঁর কাছ থেকে জব্দ করা সিডিতে এর প্রমাণও মিলেছে।