আকাশবার্তা ডেস্ক :
বৃহত্তর নোয়াখালীতে ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে। এদের অপতৎপরতায় অসহায় হয়ে পড়েছেন প্রকৃত সাংবাদিক কর্মীরা। এতে বিভ্রান্ত হচ্ছেন স্থানীয় প্রশাসন এবং প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
গত বুধবার রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে আব্দুল আউয়াল নামে এক ভুয়া সাংবাদিককে গ্রেফতার করে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে পুলিশ। অন্যদিকে প্রতারক এবং ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহত্তর নোয়াখালীর ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্নস্থানে ডিক্লারেশানবিহীন ভুয়া পত্রিকার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এক শ্রেণীর প্রতারক চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন থেকে ডিক্লারেশন না নিয়ে বিভিন্ন বেনামে পত্রিকা প্রকাশ করছে ওই শ্রেণীর লোকজন। মূলত গ্রামেগঞ্জে ধান্ধাবাজ লোকজনের কাছে কার্ড বিক্রি করাই তাদের লক্ষ্য। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা প্রতারণা ও হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। বিশেষ করে প্রতি বছর রমজানের ঈদকে সামনে রেখে ওই চাঁদাবাজ চক্রটি সক্রিয় হয়ে উঠে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক নেতা জানান, একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে ভুয়া আইডি কার্ড বিক্রি করার জন্য। পাশাপাশি ভুয়া কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে আদায়কৃত চাঁদাবাজির টাকার ভাগ ওইসব ভুয়া পত্রিকার মালিকরাও নিচ্ছেন। সাংবাদিক ওই নেতা আরো বলেন, হলুদ সাংবাদিকতা এবং ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্যের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকরা আজ অসহায় এবং হাসির খোরাকে পরিণত হয়েছে। তিনি এসব অপসাংবাদিকতা এবং ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।